বিক্রমপুরের ইতিহাস শুধু একটি পরগনার ইতিহাস নহে, ইহা বঙ্গেরই ইতিহাস...
Showing posts with label মীজানূর রহমান শেলী. Show all posts
Showing posts with label মীজানূর রহমান শেলী. Show all posts
Saturday, July 16, 2011
সাংবাদিকরা কারো বন্ধু নয়, কোনো দলের নয়: হাসান শাহরিয়ার
কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি হাসান শাহরিয়ার বলেছেন, সাংবাদিকরা কারো বন্ধু নয়, কোনো দলেরও নয়, তারা সত্যের পক্ষে। আজ শনিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের ২০ বছর পূর্তি ও সাধারণসভা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ বলেন।
Tuesday, July 05, 2011
‘সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও’
মীজানূর রহমান শেলী
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
‘সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও’
মীজানূর রহমান শেলী
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
‘সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও’
মীজানূর রহমান শেলী
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
‘সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও’
মীজানূর রহমান শেলী
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
‘সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও’
মীজানূর রহমান শেলী
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
Monday, May 23, 2011
সামাজিক অস্থিরতা ও তার নিরসন ‘... কাণ্ডারী আজ দেখিব তোমার মাতৃমুক্তি পণ’
ড. মীজানূর রহমান শেলী
মানুষ নিয়ে গড়া সমাজ মানুষের মতই জীবন্ত। জীবিত মানুষ যেমন কখনো জড় ও নিশ্চল হতে পারে না, তেমনি হতে পারে না সমাজও। মানুষের মত সমাজও সততঃ চলমান। সমাজে গতি থাকবে, থাকবে প্রাণবন্ত চঞ্চলতা, এতে আশ্চর্য বা শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু শঙ্কা জাগে তখনি, যখন চঞ্চলতা অস্থিরতা হয়ে দাঁড়ায়, যখন চলার গতিতে থাকে না ছন্দ বা সুবিন্যস্ত পদক্ষেপ। ছন্দহীন চাঞ্চল্যের সমাজ আসলে অস্থির সমাজ। উত্তেজিত অস্থির সমাজে স্থিতিশীলতা থাকে না, থাকে শুধু বিশৃঙ্খল এবং অবিন্যস্ত চাঞ্চল্য। এই অবস্থায় যুগ-প্রাচীন মূল্যবোধে দেখা যায় বিসঙ্গতি ও মারাত্মক অবক্ষয়।
মানুষ নিয়ে গড়া সমাজ মানুষের মতই জীবন্ত। জীবিত মানুষ যেমন কখনো জড় ও নিশ্চল হতে পারে না, তেমনি হতে পারে না সমাজও। মানুষের মত সমাজও সততঃ চলমান। সমাজে গতি থাকবে, থাকবে প্রাণবন্ত চঞ্চলতা, এতে আশ্চর্য বা শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু শঙ্কা জাগে তখনি, যখন চঞ্চলতা অস্থিরতা হয়ে দাঁড়ায়, যখন চলার গতিতে থাকে না ছন্দ বা সুবিন্যস্ত পদক্ষেপ। ছন্দহীন চাঞ্চল্যের সমাজ আসলে অস্থির সমাজ। উত্তেজিত অস্থির সমাজে স্থিতিশীলতা থাকে না, থাকে শুধু বিশৃঙ্খল এবং অবিন্যস্ত চাঞ্চল্য। এই অবস্থায় যুগ-প্রাচীন মূল্যবোধে দেখা যায় বিসঙ্গতি ও মারাত্মক অবক্ষয়।
Thursday, May 19, 2011
‘ধর ধর ঐ চোর, ঐ যায় ঐ চোর’
মীজানূর রহমান শেলী
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শ্যামা’ এক অনবদ্য প্রেমকাহিনী, দুর্নীতির কালিমালিপ্ত কোন আখ্যান নয়। সেখানে যে চোর ধরার জন্য জনতা উচ্চকণ্ঠ সে চোর আসলে অপরাধী নয় বরং কুটিল ষড়যন্ত্রের শিকার। ‘শ্যামা’ গীতিনাট্যের ভাগ্যবিড়ম্বিত নায়ক বজ্র সেন দেশ-দেশান্তরে বাণিজ্যে নিরত এক বণিক। তার পেটিকার ইন্দ্রমণির হারের খবর পায় রাজার অনুচরেরা। তাদেরই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পড়ে বজ্র সেন কারারুদ্ধ হয়।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শ্যামা’ এক অনবদ্য প্রেমকাহিনী, দুর্নীতির কালিমালিপ্ত কোন আখ্যান নয়। সেখানে যে চোর ধরার জন্য জনতা উচ্চকণ্ঠ সে চোর আসলে অপরাধী নয় বরং কুটিল ষড়যন্ত্রের শিকার। ‘শ্যামা’ গীতিনাট্যের ভাগ্যবিড়ম্বিত নায়ক বজ্র সেন দেশ-দেশান্তরে বাণিজ্যে নিরত এক বণিক। তার পেটিকার ইন্দ্রমণির হারের খবর পায় রাজার অনুচরেরা। তাদেরই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পড়ে বজ্র সেন কারারুদ্ধ হয়।
‘ধর ধর ঐ চোর, ঐ যায় ঐ চোর’
মীজানূর রহমান শেলী
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শ্যামা’ এক অনবদ্য প্রেমকাহিনী, দুর্নীতির কালিমালিপ্ত কোন আখ্যান নয়। সেখানে যে চোর ধরার জন্য জনতা উচ্চকণ্ঠ সে চোর আসলে অপরাধী নয় বরং কুটিল ষড়যন্ত্রের শিকার। ‘শ্যামা’ গীতিনাট্যের ভাগ্যবিড়ম্বিত নায়ক বজ্র সেন দেশ-দেশান্তরে বাণিজ্যে নিরত এক বণিক। তার পেটিকার ইন্দ্রমণির হারের খবর পায় রাজার অনুচরেরা। তাদেরই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পড়ে বজ্র সেন কারারুদ্ধ হয়।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শ্যামা’ এক অনবদ্য প্রেমকাহিনী, দুর্নীতির কালিমালিপ্ত কোন আখ্যান নয়। সেখানে যে চোর ধরার জন্য জনতা উচ্চকণ্ঠ সে চোর আসলে অপরাধী নয় বরং কুটিল ষড়যন্ত্রের শিকার। ‘শ্যামা’ গীতিনাট্যের ভাগ্যবিড়ম্বিত নায়ক বজ্র সেন দেশ-দেশান্তরে বাণিজ্যে নিরত এক বণিক। তার পেটিকার ইন্দ্রমণির হারের খবর পায় রাজার অনুচরেরা। তাদেরই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পড়ে বজ্র সেন কারারুদ্ধ হয়।
Subscribe to:
Comments (Atom)