সাবেক রাষ্ট্রপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার। ২০১২ সালের এই দিনে ৮১ বছর বয়সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যাংককের বামুনগাদ হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।
বিক্রমপুরের ইতিহাস শুধু একটি পরগনার ইতিহাস নহে, ইহা বঙ্গেরই ইতিহাস...
Showing posts with label ইয়াজউদ্দিন. Show all posts
Showing posts with label ইয়াজউদ্দিন. Show all posts
Wednesday, December 10, 2014
আজ সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী
সাবেক রাষ্ট্রপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার। ২০১২ সালের এই দিনে ৮১ বছর বয়সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যাংককের বামুনগাদ হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।
Wednesday, June 22, 2011
বি. চৌধুরীর পদত্যাগ এবং...
সুমন পালিত
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি সমালোচিত অধ্যায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের ঘটনা। ২০০২ সালের ২১ জুন তিনি তারই প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের চাপের মুখে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি সমালোচিত অধ্যায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের ঘটনা। ২০০২ সালের ২১ জুন তিনি তারই প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের চাপের মুখে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন।
বি. চৌধুরীর পদত্যাগ এবং...
সুমন পালিত
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি সমালোচিত অধ্যায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের ঘটনা। ২০০২ সালের ২১ জুন তিনি তারই প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের চাপের মুখে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি সমালোচিত অধ্যায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের ঘটনা। ২০০২ সালের ২১ জুন তিনি তারই প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের চাপের মুখে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন।
বি. চৌধুরীর পদত্যাগ এবং...
সুমন পালিত
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি সমালোচিত অধ্যায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের ঘটনা। ২০০২ সালের ২১ জুন তিনি তারই প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের চাপের মুখে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি সমালোচিত অধ্যায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের ঘটনা। ২০০২ সালের ২১ জুন তিনি তারই প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের চাপের মুখে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন।
বি. চৌধুরীর পদত্যাগ এবং...
সুমন পালিত
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি সমালোচিত অধ্যায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের ঘটনা। ২০০২ সালের ২১ জুন তিনি তারই প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের চাপের মুখে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি সমালোচিত অধ্যায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের ঘটনা। ২০০২ সালের ২১ জুন তিনি তারই প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের চাপের মুখে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন।
Thursday, May 19, 2011
এবার ইয়াজউদ্দিন-ফখরুদ্দীন মইনউদ্দিনের পালা?
ঝর্ণা মনি: সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ হয়েছে।
এবার ইয়াজউদ্দিন-ফখরুদ্দীন মইনউদ্দিনের পালা?
ঝর্ণা মনি: সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ হয়েছে।
Tuesday, May 10, 2011
মুন্সীগঞ্জে ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ কলেজে ভোট কেন্দ্র স্থাপনের দাবি
মুন্সীগঞ্জ সদরের পঞ্চসার ইউনিয়নের নয়াগাঁও গ্রামের প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। আজ সোমবার দুপুরে এ দাবিতে তারা জেলা প্রশাসক কার্যালয় ও সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে পৃথক পৃথক মানববন্ধন ও শেষে স্মারকলিপি দেয়।
মুন্সীগঞ্জে ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ কলেজে ভোট কেন্দ্র স্থাপনের দাবি
মুন্সীগঞ্জ সদরের পঞ্চসার ইউনিয়নের নয়াগাঁও গ্রামের প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। আজ সোমবার দুপুরে এ দাবিতে তারা জেলা প্রশাসক কার্যালয় ও সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে পৃথক পৃথক মানববন্ধন ও শেষে স্মারকলিপি দেয়।
Monday, July 27, 2009
ইয়াজ উদ্দিনকে মামলায় জড়ানোর কোনো পথ পাচ্ছে না বিএনপি
সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে মামলার ফাঁদে ফেলতে কোনো পথ পাচ্ছে না বিএনপি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তার কার্যক্রমের জন্য কিভাবে তাকে মামলায় জড়ানো যায় এ নিয়ে বিএনপির একাধিক শীর্ষস্থানীয় আইনজীবী আইন-কানুন ঘেঁটে চলেছেন। জানা গেছে, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদেই তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপায় না পেয়ে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে তার দেয়া স্বাক্ষাৎকার পর্যালোচনা করছেন তারা। সূত্র জানিয়েছে, এ সাক্ষাৎকারের বিষয়বস্তুই হতে পারে মামলার একমাত্র হাতিয়ার। সূত্র আরো জানায়, ১/১১ পরবর্তী সময়ে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্যান্য উপদেষ্টাদের কার্যক্রমে যতো না বিএনপি ক্ষুব্ধ তার চেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ হয়েছেন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের কার্যক্রমে। এ কারণে যে কোনো উপায়ে তাকে মামলায় জড়াতে চায় বিএনপি।
Sunday, July 05, 2009
প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ, ইয়াজউদ্দিনের বৈধতার বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়নি আড়াই বছরেও
অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রাষ্ট্রপতি থাকাকালে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের বৈধতার বিষয়টি এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে উচ্চ আদালতে। দীর্ঘ আড়াই বছর পার হলেও বিষয়টির এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। তবে এর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন জড়িত থাকায় এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দ্রুত এ সংক্রান্ত রিট আবেদনটির নিষ্পত্তি হওয়া দরকার বলে মনে করছেন আইনজীবীরা। ২০০৬ সালের ২৬ নভেম্বর ১৪ দলের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিলসহ সমমনা রাজনৈতিক দলের (১৪ দলীয় জোট) ১০ প্রতিনিধি হাইকোর্টে এ বিষয়ে রিট আবেদন করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদেশ দেয়ার আগ মুহূর্তে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন রিটগুলোর সব কার্যক্রম স্থগিত করেন। এ নিয়ে সুপ্রিমকোর্টে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এর পর আর এই রিটের কোনো শুনানি হয়নি।
২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন। এর দুই দিন পর ৩১ অক্টোবর তার অধীনে ১০ উপদেষ্টা শপথ নেন। তাদের শপথ অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াতসহ চারদলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত থাকলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিনের রাষ্ট্রপতির অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স
পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননসহ ১৪ দল নেতা পঙ্কজ ভট্টাচার্য, মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, নুরুল ইসলাম, দিলীপ বড়–য়া, মুন্সি আবদুল লতিফ, মিছবাহুর রহমান চৌধুরী ও জি এম কাদের তিনটি রিট দায়ের করেন।
রিট আবেদনগুলোতে বলা হয়, সংবিধানের ৫৮/গ অনুচ্ছেদে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিদের মধ্যে যিনি সর্বশেষ অবসর নিয়েছেন এবং এই অনুচ্ছেদের অধীনে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার যোগ্য রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেবেন। তবে এমন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি পাওয়া না গেলে বা তিনি প্রধান উপদেষ্টার পদ নিতে অসম্মতি জানালে তার পূর্বে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে প্রধান উপদেষ্টার পদে নিয়োগ দেয়া হবে। ৫৮/গ(৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যদি কোনো অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি পাওয়া না যায় বা তিনি প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণে অসম্মতি জানান তবে রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের মধ্যে যিনি সর্বশেষ অবসর গ্রহণ করেছেন এবং এই অনুচ্ছেদের অধীনে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার যোগ্য তাকে নিয়োগ দেবেন। তবে এমন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে পাওয়া না গেলে বা তিনি অসম্মতি জানালে তার অব্যবহিত পূর্বে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে নিয়োগ দেবেন। ৫৮/গ(৫) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কোনো বিচারপতিকে পাওয়া না গেলে বা অসম্মতি জানালে রাষ্ট্রপতি যতদূর সম্ভব সব প্রধান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেবেন। এই বিধানগুলো কার্যকর করা না গেলে রাষ্ট্রপতি এই সংবিধানের অধীনে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ এই বিধানগুলো পর্যায়ক্রমে অনুসরণ না করে নিজেই প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফলে অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে তিনি রাষ্ট্রপতির অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয় রিট আবেদনে।
রিট আবেদনে আরো বলা হয়, সাবেক প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন। সংবিধান অনুয়ায়ী তার পূর্ববর্তী প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমীন চৌধুরীকে এই পদ গ্রহণের আহ্বান জানাতে হবে। কিন্তু তাকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের মধ্য থেকে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগেরও কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এছাড়া রিট আবেদনগুলোতে আরো বলা হয়, সংবিধানের ৫৮/খ(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান উপদেষ্টা অপর ১০ উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করে রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা অপর উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এমনকি তার সিদ্ধান্তের বিষয়ে অপর উপদেষ্টাদের অবহিত পর্যন্ত করা হয়নি। সংবাদ মাধ্যম ও উপদেষ্টাদের বক্তব্যে এ বিষয়টি সুস্পষ্টভাবেই প্রতীয়মান হচ্ছে। ফলে তিনি সংবিধান পরিপন্থীভাবে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং দায়িত্ব পালন করছেন।
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এফ এম মেজবা উদ্দিন আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ যথাযথভাবে সংবিধান অনুসরণ না করেই প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের জন্য পর্যায়ক্রমে যে সব ব্যবস্থা অনুসরণ করার বিধান রয়েছে তা অনুসরণ করেননি। এ বিষয়টি এখন সবার কাছেই প্রমাণিত। কিন্তু রিট তিনটি এখনো বিচারাধীন থাকায় আদালতের মাধ্যমে এ বিষয়টি এখনো সুরাহা হয়নি। এই রিট তিনটির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন জড়িত। তাই আদালতের মাধ্যমে এই রিটের নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি। এ কারণে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দ্রুত রিট আবেদনটির নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।
২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন। এর দুই দিন পর ৩১ অক্টোবর তার অধীনে ১০ উপদেষ্টা শপথ নেন। তাদের শপথ অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াতসহ চারদলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত থাকলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিনের রাষ্ট্রপতির অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স
পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননসহ ১৪ দল নেতা পঙ্কজ ভট্টাচার্য, মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, নুরুল ইসলাম, দিলীপ বড়–য়া, মুন্সি আবদুল লতিফ, মিছবাহুর রহমান চৌধুরী ও জি এম কাদের তিনটি রিট দায়ের করেন।
রিট আবেদনগুলোতে বলা হয়, সংবিধানের ৫৮/গ অনুচ্ছেদে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিদের মধ্যে যিনি সর্বশেষ অবসর নিয়েছেন এবং এই অনুচ্ছেদের অধীনে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার যোগ্য রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেবেন। তবে এমন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি পাওয়া না গেলে বা তিনি প্রধান উপদেষ্টার পদ নিতে অসম্মতি জানালে তার পূর্বে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে প্রধান উপদেষ্টার পদে নিয়োগ দেয়া হবে। ৫৮/গ(৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যদি কোনো অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি পাওয়া না যায় বা তিনি প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণে অসম্মতি জানান তবে রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের মধ্যে যিনি সর্বশেষ অবসর গ্রহণ করেছেন এবং এই অনুচ্ছেদের অধীনে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার যোগ্য তাকে নিয়োগ দেবেন। তবে এমন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে পাওয়া না গেলে বা তিনি অসম্মতি জানালে তার অব্যবহিত পূর্বে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে নিয়োগ দেবেন। ৫৮/গ(৫) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কোনো বিচারপতিকে পাওয়া না গেলে বা অসম্মতি জানালে রাষ্ট্রপতি যতদূর সম্ভব সব প্রধান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেবেন। এই বিধানগুলো কার্যকর করা না গেলে রাষ্ট্রপতি এই সংবিধানের অধীনে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ এই বিধানগুলো পর্যায়ক্রমে অনুসরণ না করে নিজেই প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফলে অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে তিনি রাষ্ট্রপতির অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয় রিট আবেদনে।
রিট আবেদনে আরো বলা হয়, সাবেক প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন। সংবিধান অনুয়ায়ী তার পূর্ববর্তী প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমীন চৌধুরীকে এই পদ গ্রহণের আহ্বান জানাতে হবে। কিন্তু তাকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের মধ্য থেকে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগেরও কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এছাড়া রিট আবেদনগুলোতে আরো বলা হয়, সংবিধানের ৫৮/খ(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান উপদেষ্টা অপর ১০ উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করে রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা অপর উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এমনকি তার সিদ্ধান্তের বিষয়ে অপর উপদেষ্টাদের অবহিত পর্যন্ত করা হয়নি। সংবাদ মাধ্যম ও উপদেষ্টাদের বক্তব্যে এ বিষয়টি সুস্পষ্টভাবেই প্রতীয়মান হচ্ছে। ফলে তিনি সংবিধান পরিপন্থীভাবে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং দায়িত্ব পালন করছেন।
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এফ এম মেজবা উদ্দিন আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ যথাযথভাবে সংবিধান অনুসরণ না করেই প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের জন্য পর্যায়ক্রমে যে সব ব্যবস্থা অনুসরণ করার বিধান রয়েছে তা অনুসরণ করেননি। এ বিষয়টি এখন সবার কাছেই প্রমাণিত। কিন্তু রিট তিনটি এখনো বিচারাধীন থাকায় আদালতের মাধ্যমে এ বিষয়টি এখনো সুরাহা হয়নি। এই রিট তিনটির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন জড়িত। তাই আদালতের মাধ্যমে এই রিটের নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি। এ কারণে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দ্রুত রিট আবেদনটির নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।
Subscribe to:
Comments (Atom)