মোজাফফর হোসেনঃ মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আউটশাহী তিন রাস্তার মোর হতে বেত্কা (সুবচনী গাছতলা) পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তাটি এখনো কাঁচা রয়েগেছে। এর ফলে ভোগান্তির শ্বিকার হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।
সরেজমিনে দেখাছে, এ রাস্তাটি দিয়ে রাস্তার দুপাশের প্রায় ৭টি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে। শুকনা মৌসুমে রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত সম্ভব হলেও বর্ষা মৌসুমে এ রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত অসম্ভব হয়েপরে। ফলে ভোগান্তির স্বিকার হয় রাস্তার দু’পাশে বসবাস কারী প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। বর্ষা মৌসুমে এ রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। এর ফলে রাস্তাটি দিয়ে রিক্শা ও ভ্যান গাড়ী চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পায়ে হাটা ছাড়া চলাচলের কোন উপায় থাকে না। এ কারনে এ এলাকার সাধারন মানুষ ও স্কুল- কলেজ পড়া ছাত্র/ ছাত্রীদের যাতায়াত অসম্ভব হয়ে পরে। এ ছাড়া এ এলাকাটি কৃষি নির্ভর এলাকা এ রাস্তার কারনে এ এলাকায় উৎপাদিত শাক- সবজি বাজার জাত করতে বিরম্বনায় পরতে হয়। অনেক সময় বৃষ্টি হলে বাজার জাত না করতে পেরে এ এলাকায় উৎপাদিত সবজি নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে ভোগান্তির স্বিকার হয় এ এলাকার বহু কৃষক। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তাটি দিয়ে চলাচল অসম্ভব হয়ে পরে। জরুরি কোন রোগী থাকলেও রাস্তাটির কারনে তাদেরকে হাসপাতালে নেয়া সম্ভব হয় না। রাস্তাটির অর্ধেক অংশের কাজ শুরু হলেও অজ্ঞাত কারনে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ রাস্তাটির উন্নয়ন করা আ’লীগ সরকারের মুন্সীগঞ্জ ২ আসনের এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিনের নির্বাচনি প্রতিশ্র“তি ছিল। এলাকার সাধারন জনগন দাবী করে তিনি তার প্রতিশ্র“তি রাখবেন। এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার আকরামুল কবির বলেন, আমাদের এমপি মহোদয় এ রাস্তাটির জন্য পরপর দুটি বরাদ্দ দিয়েছেন। আমরা রাস্তাটির কাজ শুরু করেছি তবে ফান্ড না থাকাতে কাজ আপাতত বন্ধ আছে। ফান্ড চলে আসলেই আমরা কাজ শুরু করব।