চার বছর আগে এ গ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। কি ধরনের সীমাবদ্ধতার কারণে এতটা সময় লেগেছে?
বইটি প্রকাশনার পরিকল্পনা ছিল বহু আগের। মূলত প্রকাশনা খরচের সমস্যার করণেই এত সময় লেগেছে। অবশ্য আরেকটি বিষয় হচ্ছে, গ্রন্থটি যেহেতু একটু এক্সপেন্সিভ সেক্ষেত্রে মানগতদিক ঠিক রেখে কাজটি করতে একটু সময় নেয়া হয়েছে।
আপনার শিল্পচর্চায় মুগ্ধ হয়ে দুই বাংলার কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের লেখা নিয়েই সাজানো হয়েছে গ্রন্থটি। বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন?
বইটিতে যারা লিখেছে, আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। কিন্তু যা লিখেছেন আমি মনে করি না, আমি তার যোগ্য। এসব লেখার জায়গায় যদি কখনও পৌঁছতে পারি তবেই এ অঙ্গনে নিজের পথচলাকে সার্থক মনে করব।
কী ধরনের অনুপ্রেরণা থেকে এ অঙ্গনে আসা?
আমি আসলে কোন কিছু পাওয়ার আশায় এ অঙ্গনে আসিনি। একটা সময় কোন কিছু না বুঝে এক ধরনের ভালো লাগা থেকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কাজ শুরু করি।
২২ জুলাই মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘গেরিলা’ মুক্তির শততম দিন। আপনি এ চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালক ও পোশাক ডিজাইনার। এ ছবিতে দর্শকসাড়া কতটা পেয়েছেন?
এরই মধ্যে আমরা ব্যাপক দর্শকসাড়া পেয়েছি। সবচেয়ে ইতিবাচক একটা দিক হচ্ছে ছবিটি নতুন প্রজš§কে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দারুণভাবে আলোড়িত করতে পেরেছে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে চলচ্চিত্রের এ মন্দা সময়ে মুক্তিযুদ্ধের একটি চলচ্চিত্র মুক্তির চলমান শততম দিন অতিক্রম করবে।
আপনার একাভিনীত ‘বিনোদিনী’ শততম মঞ্চায়নের দ্বারপ্রান্তে। চলতি বছরেই কি শততম মঞ্চায়ন সম্পন্ন করার ইচ্ছা রয়েছে?
এ বছরের মধ্যেই শততম প্রদর্শনী সম্পন্ন করব ইনশাআল্লাহ! আমাদের ইচ্ছা ছিল ৩১ জুলাই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে ‘বিনোদিনী’র শততম মঞ্চায়ন করব। কিন্তু ‘গেরিলা’, ‘নষ্টনীড়’ ও অন্যান্য কাজের ব্যস্ততার কারণে সেটা করা হয়ে ওঠেনি।
একটা সময় কোনরকম স্বার্থ খোঁজা ছাড়াই অনিশ্চিত এ অঙ্গনে যাত্রা করেছেন। কিন্তু বর্তমান সময়ের থিয়েটারকর্মীরা বেশিরভাগই টেলিভিশনমুখী। বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন?
আমরা যখন এ অঙ্গনে কাজ শুরু করি তখন আসলেই আমাদের মধ্যে কোন রকম প্রাপ্তির আশা ছিল না। শিল্পের নেশাতেই আমাদের ছুটে চলা ছিল লক্ষ্য। আমরা তখন ভেবেছিলাম আমাদের নতুন দেশ, নাটক নিয়ে নতুন উদ্দীপনায় আমরা কাজ করব এবং স্বাধীন দেশে আমরা নাটককে সমৃদ্ধ করব। টেলিভিশনে কাজ করাটা দোষের কিছু নয়। কিন্তু মঞ্চের প্রতি পূর্ণ আস্থা এবং যথার্থ ভালোবাসা থাকা জরুরি।
যুগান্তর