মুন্সীগঞ্জে স্কুলে কোচিং বাধ্যতামুলক করার প্রতিবাদে
মোহাম্মদ সেলিম, মুন্সীগঞ্জ থেকে: স্কুলে কোচিংয়ের নামে বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে সিরাজদিখান উপজেলার খাসমহল বালুরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। দুপুর আড়াইটার দিকে জেলা শহরের মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। মিছিলটি শহরের জুবলী রোড প্রদক্ষিন করে প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়। পরে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধন রচনা করে শিক্ষার্থীরা। তারা জানায়, জেলার সিরাজদিখান উপজেলার সরকারি খাসমহল বালুরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম ও দশম শ্রেনীর ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীকে স্কুলে কোচিং বাধ্যতা মুলক করা হয়েছে। এ জন্য প্রতি মাসে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ৬’শ টাকা গুনতে হচ্ছে। সকাল সাড়ে ১০ টায় স্কুলে তাদের শ্রেনী ক্লাস শুরু হয়। এর আগে সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত টানা দু’ঘন্টা কোচিং পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক। এতে শিক্ষার্থীরা দুপুরে ওই বিক্ষোভ প্রদর্শন ও মানববন্ধন করেন। তবে এ ব্যাপারে স্কুলটির প্রধান শিক্ষক আলীম বাদশার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। সিরাজদিখান উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা দাউদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। তবে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
মুন্সিগঞ্জ নিউজ
মোহাম্মদ সেলিম, মুন্সীগঞ্জ থেকে: স্কুলে কোচিংয়ের নামে বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে সিরাজদিখান উপজেলার খাসমহল বালুরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। দুপুর আড়াইটার দিকে জেলা শহরের মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। মিছিলটি শহরের জুবলী রোড প্রদক্ষিন করে প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়। পরে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধন রচনা করে শিক্ষার্থীরা। তারা জানায়, জেলার সিরাজদিখান উপজেলার সরকারি খাসমহল বালুরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম ও দশম শ্রেনীর ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীকে স্কুলে কোচিং বাধ্যতা মুলক করা হয়েছে। এ জন্য প্রতি মাসে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ৬’শ টাকা গুনতে হচ্ছে। সকাল সাড়ে ১০ টায় স্কুলে তাদের শ্রেনী ক্লাস শুরু হয়। এর আগে সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত টানা দু’ঘন্টা কোচিং পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক। এতে শিক্ষার্থীরা দুপুরে ওই বিক্ষোভ প্রদর্শন ও মানববন্ধন করেন। তবে এ ব্যাপারে স্কুলটির প্রধান শিক্ষক আলীম বাদশার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। সিরাজদিখান উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা দাউদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। তবে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
মুন্সিগঞ্জ নিউজ