Friday, December 19, 2014

কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া (মাওয়া) নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে এই রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে ঘাট কর্তৃপক্ষ। এতে মাঝপদ্মায় নৌ-চ্যানেলের বিভিন্ন পয়েন্টে দুই শতাধিক যানবাহন সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে ১২টি ছোট-বড় ফেরি নোঙর করে রাখে।

ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি ফেরিঘাট থেকে বাইপাস সড়ক পর্যন্ত রাস্তার দুই সারিতে কয়েকশ’ ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায় থাকে। এ ছাড়া অর্ধশতাধিক নৈশকোচও কাওড়াকান্দি ঘাটে এসে আটকা পরে। এতে ঢাকামুখো যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।

অন্যদিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দুই শতাধিক যাত্রীবাহী যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় থাকে। ফেরি বন্ধ থাকায় শিমুলিয়া ঘাট থেকে মাওয়া চৌরাস্তা পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার যানযটের সৃষ্টি হয়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) চন্দ্র শেখর জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে নৌরুটের পদ্মা অববাহিকা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে নৌ-চ্যানেলের মার্কিং বয়া নির্ণয় দুষ্কর হয়ে উঠলে কর্তৃপক্ষ ফেরি পারাপার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। কুয়াশা কেটে গেলে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় ফেরি চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়।

বিআইডব্লিউটিসির কাওড়াকান্দি ঘাটের ব্যবস্থাপক সালাম হোসেন জানান, কুয়াশার তীব্রতায় কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌপথের মার্কিং পয়েন্ট ও বিকন বাতিগুলো না দেখতে পাওয়ায় ফেরিচালকরা রাত ১১টার দিকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হন।

এদিকে ফেরির সঙ্গে সঙ্গে স্পিডবোট, ট্রলার ও লঞ্চ পারাপার বন্ধ থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ে। রোগীবাহী এ্যাম্বুলেন্স, জরুরী ওষুধ ও কুরিয়ার সার্ভিসের বিভিন্ন গাড়িও পারাপারের অপেক্ষায় থাকে। তবে কুয়াশা কমে যাওয়ায় নৌ-চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এর ফলে দুই ঘাটের যানজটও ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।

দ্য রিপোর্ট