রাজধানীর ওয়ারীর কাপ্তান বাজারের রাস্তা থেকে আরিফ হোসেন সোহাগ (৩০) নামে এক মুরগি ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়। ওয়ারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাদিকুর রহামান বলেন, ‘ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জের ধরে প্রতিপক্ষ তাকে মারধর করে হত্যা করে বৃহস্পতিবার রাতে রাস্তায় ফেলে দেয়।’তিনি জানান, হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। আটকরা হলো- ইউসুফ (২৭), রনি (৩২), বাবু (২৭), কামাল (৩০) ও মোশাররফ (৩০)।
নিহতের পরিবার পক্ষ থেকে আটকদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানান এসআই সাদিকুর।
ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসেন ওয়ারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) স্বপন কান্তি দে।
তিনি জানান, ‘গতরাত (বৃহস্পতিবার) ২টা থেকে ৩টার মধ্যে কাপ্তান বাজারের ৩৮নং সিটি করপোরেশন অফিসের মধ্যে নিয়ে তাকে মারধর করে অচেতন অবস্থায় অফিসের পশ্চিম পাশের গলিতে ফেলে দেয়। তখন টহলরত পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে রাত ৪টার দিকে সে মারা যায়। তার কপালে আঘাতের চিহ্ন ও বাম হাত ভাঙ্গা ছিল।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ওয়ারী থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাদিকুর রহমান বলেন, ‘রাতে ঘটনাস্থলেই সোহাগের মৃত্যু হয়। পরে তাকে নিয়ে ঢামেক হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
এসআই সাদিকুর রহমান আরও বলেন, ‘কি কারণে, কারা তাকে হত্যা করেছে তা তদন্ত করা হচ্ছে। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মূল আসামিদের খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যহত রয়েছে।’
নিহতের চাচা মো. ইব্রাহীম মোল্লা জানান, সোহাগ মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার দক্ষিণ বেজগাঁও গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে। অবিবাহিত সোহাগ ঢাকার কাপ্তান বাজারের ৮নং র্যাঙ্কিং স্ট্রিটের ফর্চুন টাওয়ারে ভাড়া থাকত। ওই এলাকায় তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে মুরগির ব্যবসা করতেন।
এদিকে পুলিশ ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে হত্যার বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য পাওয়ার কথা জানালেও নিহতের চাচা ইব্রাহিম মোল্লা বলেন, ‘আমার জানা মতে সোহাগের সঙ্গে কারো কোনো শত্রুতা নেই। তবুও কি জন্য তাকে কে বা কারা হত্যা করেছে জানি না। রাতে মুরগি নামানোর জন্য সে দোকানে ছিল।’
দ্য রিপোর্ট
- See more at: http://www.thereport24.com/article/72090/index.html#sthash.rwOf9bfk.dpuf