স্থানীয় মানুষদের বক্তব্যে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম দল হিসেবে আওয়ামীলীগ করলেও মানুষ হিসাবে অনেক সৎ ছিলেন। মতিঝিলের ব্যবসায়ী কাদের হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী আওয়ামী লীগ নেতা ও কাজির পাগলা গ্রামের মোবারক হোসেনকে ২০১২ সালে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডে যুবলীগ নেতা রফিক মোবারকের পরিবারকে মামলা পরিচালনায় সহায়তা করে। ওই মামলার আসামিরা বিভিন্ন সময়ে রফিককে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল। এসব নিয়ে গত ঈদের পরদিনও আসামি পক্ষের তাজুল ইসলাম ব্যাপারীর সাথেও ঝগড়া হয়। এ ঘটনার পর হতে মোবারক হোসেন হত্যা মামলার অন্যতম এক আসামি তার পরিবারসহ গা ঢাকা দিয়েছে। রফিককে অপহরণ করার পেছনে ঐ খুনের আসামি জড়িত থাকতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
উল্লেখ্য যে গত ২৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকার ইসলামপুরের কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বাড়ির প্রায় দেড় শ’ মিটার দূরের কাজীর পাগলা কাদের সড়ক থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় ওৎ পেতে থাকা একটি মাইক্রো বাসে কৌশলে তাকে তুলে নেয়। মাইক্রোবাসটি মাওয়ার দিকে নিয়ে যায়। পরে সকাল ১০টার সাদা রংয়ের মাইক্রোটিকে আবার চন্দ্রেরবাড়ি সড়ক দিয়ে কাজীর পাগলার চিতাখোলায় নিয়ে যায়। অপহরণের স্থান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরের নির্জন চিতাখোলা থেকে পরে আবার একটি নৌকায় করে মৌছামান্দ্রার দিকে রফিককে নেয়া হয় বলে ধারণা করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ভ্যান চালক রাজা মিয়া জানান, মাইক্রোটিতে কৌশলে তাকে উঠানো হয়। এটাত তার পূর্ব পরিচিত লোকজন ছিল। পরে মাইক্রোটিকে চিতাখোলায়ও যেতে দেখেছে কয়েক মহিলা। কিন্তু তখনও কেউ ঘটনা বুঝতে পারেনি। রফিকের সাথে পরিবারের লোকজনের দিনভর যোগাযোগ না হলে তাদের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে জানানো হয়। এরপর থানায় একটি খুনের মামলা দায়ের করা হয়, পরে জড়িত সন্দেহে ২জন আসামীকে গ্রফতার করা হয়।
গ্লোবালনিউজ