এদিকে এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে গজারিয়া থানার ওসি ফেরদৌস হোসেন জানান, বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আসামী পক্ষ জাকারিয়া দেওয়ান ও বোরহান ভূইয়াসহ অন্যরা জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে শোডাউন করার চেষ্টা করছিল। এই নিয়ে শামসুদ্দিন প্রধানের ভাতিজা জুয়েল ও আল আমিন গ্রুপের লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। রাত ৮টায় দু’গ্রুপের মধ্যে গুলাগুলি শুরু হয়। রাত সোয়া ১০ টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন মুনসুর প্রধানকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। চেয়ারম্যানবাড়ির সামনের রাস্তায় তাঁর রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়েছিল ধীর্ঘ সময়। সংঘর্ষ এতটাই ভয়াবহ ছিল পুলিশ পর্যন্ত লাশ উদ্ধারের সাহস করছিল না।
পরে রাত ১১ টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে ভবেরচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভার্তি করা হয়। এক গ্রুপের প্রধান গজারিয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বোরহান ভূইয়া জানান, সপ্তাহ দুই আগে শামসুদ্দিন প্রধান হত্যা মামলার তিনিসহ সকল আসামীই (২৬ জন) মুন্সীগঞ্জ আদালত ও হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্ত আছেন। রাতে জুয়েল প্রধানের তাদের পক্ষের নুরে আলম ভূইয়া বাড়িতে হামলা চালালে সংঘর্ষ বেধে যায়। এই অভিযোগ অস্বীকার করে এই হত্যা মামলার বাদী ও শামসুদ্দিন প্রধানের স্ত্রী বর্তমান চেয়ারম্যান মর্জিনা বেগম জানান,আসামী পক্ষ হামলা চালিয়ে তার চাচা শ্বশুরকে হত্যা ও আরও অনেক লোকজনকে আহত করেছে। কতিপয় পুলিশ আসামী পক্ষে নিলর্জ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি জানান, গত ২৩ মার্চ উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রেফায়েত উল্লাহ খান তোতার ইন্দনে তার সমর্থকদের হামলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী আমিরুল ইসলামের সমর্থক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুদ্দিন প্রধান নিহত হন।
নিউজ গজারিয়া