দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সহজতর যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুট। ঈদ ও পূজার ছুটি একসঙ্গে হওয়াতে যাত্রী ও যানবাহনের বেশি চাপ থাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। তীব্র যানজটে নাকাল হয়ে পড়ছে মাওয়া-কাওড়াকান্দি ফেরীঘাট।
রাতভর অপেক্ষায় থেকে নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছেন যাত্রীরা। যেন ঈদ আর পূজা শেষ করতে হবে রাস্তায় বসে। অপেক্ষার পালা যেন শেষ হচ্ছে না। যাত্রীদের সঙ্গে রয়েছে তাদের কোমলমতি শিশুরা। এসব শিশুদের মানসিক যন্ত্রণায় আরো বেশি অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন তাদের মা-বাবা।
শুক্রবার সকাল থেকে মাওয়া ঘাট এলাকায় চার থেকে পাঁচ শত প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। এদিকে, মাওয়া চৌরাস্তা থেকে শ্রীনগর বাস স্ট্যান্ড ছাড়িয়ে ৮ কি:মি: দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
মাওয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার খালিদ হোসেন জানান, মাওয়া ঘাট টার্মিনাল এলাকায় ছোট গাড়ির অনেক চাপ। তিন-চারশ প্রাইভেট কারসহ এক-দেড়শত মাইক্রো রয়েছে। মহাসড়কেও গাড়ির অনেক চাপ রয়েছে।
মাওয়া ফেরি কর্তৃপক্ষ ম্যানেজার(বাণিজ্য) সিরাজুল হক জানান, ঈদ আর পূজার ছুটি একসঙ্গে তার উপর আজ শুক্রবার। ফেরি সবগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে। ফেরি পারাপারে দেড় থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে। তবে গাড়ির চাপ রয়েছে অনেক বেশি তাই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে নিয়ম মাফিক পারাপার অব্যাহত রয়েছে।
শীর্ষ নিউজ
=======
মাওয়ায় তীব্র যানজট, দুর্ভোগে ঘরমুখো মানুষ
দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সহজতর যোগাযোগের প্রধান নৌরুট মাওয়া-কাওড়াকান্দি। ঈদ ও পূজার ছুটি একসঙ্গে হওয়ায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে এ রুটে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ঘরমুখো মানুষকে।
মাওয়া ঘাট এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে চার থেকে পাঁচ শ’ প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।
মাওয়া চৌরাস্তা থেকে শ্রীনগর বাসস্ট্যান্ড ছাড়িয়ে ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাস-ট্রাকের জট দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
মাওয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার খালিদ হোসেন জানান, মাওয়া ঘাট ট্রার্মিনাল এলাকায় ছোট গাড়ির অনেক চাপ। তিন-চার শ’ প্রাইভেটকারসহ এক-দেড়শ’ মাইক্রো রয়েছে। মহাসড়কেও গাড়ির অনেক চাপ রয়েছে।
এদিকে লঞ্চে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই করে লঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) মাওয়া ফেরিঘাট ম্যানেজার (বাণিজ্য) সিরাজুল হক জানান, ঈদ আর পূজার ছুটির পাশাপাশি শুক্রবার হওয়ায় যানবাহনের চাপ অনেক বেশি। তাই কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সবগুলো ফেরি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে। ফেরি পারাপারে দেড় থেকে আড়াইঘণ্টা সময় লাগছে। তবে নিয়ম মাফিক পারাপার অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
দ্য রিপোর্ট