Monday, October 20, 2014

রামপালে সুদ ব্যবসায়ীর ফাঁদে পড়ে নিঃশ্ব এক কৃষানী

মুন্সীগঞ্জ জেলার রামপাল ইউনিয়নের কাজী কসবা এলাকার কৃষানী আম্বিয়া খাতুন এর স্বামী মোঃ মনছুর মিয়া অর্থে প্রয়োজনে ১লক্ষ্য ৫০ হাজার সুদ নেয় সুদ ব্যবসায়ী মোঃ হাবিবুল্লাহ বেপারী র কাছ থেকে। ২ বছরের জন্য সুদ ধার্য করা হয় ৯০ হাজার টাকা। এ মর্মে একটি স্ট্যাম্প করা হয়। আর এতে মরগেছ হিসাবে উল্লেখ্য কার হয় ৮ শতাংশ কৃষি জমি।

কথা মত ২ বছর পর সুদ ব্যবসায়ী মোঃ হাবিবুল্লাহ বেপারী কে সুদ ৯০ হাজার টাকা দিতে চাইলে কৃষানীর আম্বিয়ার কাছ থেকে যথা সময়ে সুদের টাকা নিতে কাল ক্ষেপন করেন এবং কৌশলে সুদ ব্যবসায়ী মোঃ হাবিবুল্লাহ বেপারী তখন বাধ সাধেন টাকা নিতে এবং বলেন যথা সময়ে টাকার দেয়ার সময় চলে গেছে। তাই কথা মত স্ট্রাম্প অনুযায়ী ৮ শতাংশ কৃষি জমি মরগেছে রাখা মালিকানা দাবী করে সুদ ব্যবসায়ী মোঃ হাবিবুল্লাহ বেপারী। তা লিখে দিতে এবং দখলনা দিতে কোর্টের শরনাপ্ন হয়েছেন।

এদিকে এবিষয়ে স্থানীয় গ্রাম্য শালিসে মোঃ হাবিবুল্লাহ বেপারী কে তলব করা হলে তিনি বলেন সুদের টাকা নিধারিত সময়ের ৩ মাস আগে দেয়ার কথা থাকলে ও তা দিতে ব্যার্থ হয় কৃষানী আম্বিয়া। তাই এখন মরগেছ রাখা কৃষি জমি আমার। প্রায় ৭ বছর আগে সুদে টাকা নেয়ার লেনদেন চলে।

এদিকে এসব টাকা পয়সা বিরোধ নিয়ে নানা সময়ে সুদ ব্যবসায়ী হাবিবুল্লাহ বেপারী নামে মুন্সীগঞ্জ থানায় পূর্বে জিডি ও রয়েছে। যাহার নং ১৪৩২ এ সাত বছর জুড়ে এসব ঘটনার কুল কিনারা খুজেঁ না পেয়ে এখন এ কৃষানী আম্বিয়া দিশেহার এবং সুদ ব্যবসায়ীর ফাঁদে পড়ে নিঃশ্ব কৃষানী আম্বিয়া। কৃষি জমি ফিরে পেতে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছেন আম্বিয়ার স্বামী মোঃ মনছুর এবং এ সুদ ব্যবসায়ীর অপকৌশল কে রুখে দিতে সামাজিক ভাবে বিচার চেয়েছেন স্থানীয় প্রভাবশালীদের কাছে।

মুন্সিগঞ্জেরকাগজ