মঙ্গলবার দুপুরে শিবচরগামী লঞ্চযাত্রী সুব্রত মণ্ডল জানান, ঈদ ও পূজার ছুটি কাটাতে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন তিনি। পথে মাওয়া ঘাটে লঞ্চ সঙ্কটের কবলে পড়েছেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করে অনেক কষ্টে লঞ্চে উঠতে পেরেছেন তিনি।
তার মতো শত শত যাত্রী মাওয়া ঘাটে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বলে জানান সুব্রত মণ্ডল।
মাওয়া ঘাট সূত্র জানায়, মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে পিনাক-৬ লঞ্চ ছাড়াও মোট ৮৬টি যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করছিলো। এর মধ্যে পদ্মা উত্তাল হয়ে ওঠা এবং চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় বিআইডাব্লিউটিএ ২২টি লঞ্চ চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে।
এছাড়া ছয়টি লঞ্চ মালিক পক্ষ বন্ধ রেখেছে। সাতটি লঞ্চ মেরামতের জন্য ডকইয়ার্ডে রয়েছে। এ অবস্থায় ৮৬টি লঞ্চের মধ্যে গত এক সপ্তাহ ধরে মাওয়া কাওড়াকান্দি নৌরুটে ৫০টি লঞ্চ চলাচল করছে। ৩৬টি লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় এ সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর মাওয়া কার্যালয় সূত্র জানায়, চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় বেশ কিছু লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। যেসব লঞ্চ চলাচল করছে তা ফিটনেস ও যাত্রীর ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী চলছে। নৌদুর্ঘটনা এড়াতে সর্তকতার সঙ্গে লঞ্চ চলাচল করতে বলা হয়েছে।
মাওয়া নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) খন্দকার খালিদ হোসেন বাংলানিউজকে জানান, চলাচলরত লঞ্চগুলো যাতে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করতে না পারে সে জন্য প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তদারকি করছে।
লঞ্চ সঙ্কটের কারণে নৌ পারাপারে একটু বিলম্ব হওয়ায় মাওয়া লঞ্চঘাটে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভীড় বাড়ছে। প্রত্যেক ঈদেই এ ঘটনা ঘটে বলে জানান এসআই।
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর