জানা গেছে, আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার কামার খারা এলাকার বাগবাড়ী থেকে একটি ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সায় করে ৭ বছরের মেয়ে আফরিনকে ডাক্তার দেখানোর জন্য টঙ্গীবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন সুলতানা বেগম। আনুমানিক সারে ১০টার দিকে উপজেলার বি.টি. কলেজের সামনে এসে অটোরিক্সায় সমস্যা দেখাদিলে সুলতানা বেগম অটোরিক্সা থেকে নেমেযাওয়ার সময় পিছন থেতে একটি ট্রাকটর চালিত ট্রলি এসে তাকে চাপাদেয়। পরে তার ৭ বছরের মেয়ের চিৎকার শুনে আসেপাসের লোকজন গুরুত্বর আহত অবস্থায় টঙ্গীবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় এ সময় ডাক্তাররা তাকে একটি স্যালাইন লাগিয়ে রেখে একটি সুন্নতে খাৎনার কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়েপরে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা ও তার মেয়ে আফরিন যানায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানায়, গুরুত্বর আহত অবস্থায় সুলতানা বেগম বারবার চিৎকার করলেও ডাক্তাররা এ দিকে নজরই দেননি। পরে অবস্থা আশংকাজনক দেখে সুলতানা বেগমকে ঢাকা নিয়ে যেতে বলে। ঢাকা নেয়ার পথে সুলতানা বেগম মারাযান। খোজনিয়ে জানাগেছে, হাসপাতালে ডাক্তাররা ঐ সুন্নতে থাৎনাটি নগত টাকার বিনিময়ে করাচ্ছিল। নিহত সুলতানা বেগমের ৭ বছরের মেয়ে আফরিন আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, আমার মাকে স্যালাইন লাগিয়েরেখে ডাক্তাররা অন্যকাজ করছিল, আমার মা অনেকবার চিৎকার করছিল তাও তারা কিছুই করেনি। নিহত সুলতানা বেগম বাগবাড়ী গ্রামের আবুল শেখ এর স্ত্রী। অভিজ্ঞ মহল ধারনা করে সরকারী হাসপাতালে যদি মৃত্যুসজ্যায় রোগী রেখে টাকার কাজটি আগে হয় তাহলে সুধু একজন সুলতানা বেগম নয় আরো অনেক সুলতানা বেগমকেই প্রানদিতে হবে।
---------------------------------
টঙ্গীবাড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় মহিলা আহত, চিকিৎসকের অবহেলায় মৃত্যু
চিকিৎসকের অবহেলায় মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সুলতানা বেগম (৩৫) নামে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সুলতানা বেগম আজ সকালে কামার খারা এলাকার বাগবাড়ী থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে তার মেয়ে আফরিনকে (৭) ডাক্তার দেখানোর জন্য টঙ্গীবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথে উপজেলার বি.টি কলেজের সামনে অটোরিকশায় সমস্যা দেখাদিলে সুলতানা অটোরিকশা থেকে নেমে যাওয়ার সময় পিছন থেকে একটি ট্রাকটর চালিত ট্রলি এসে তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় টঙ্গীবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ডাক্তাররা তাকে একটি স্যালাইন পুশ করে একটি খাৎনার কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সুলতানা বেগম বারবার চিৎকার করলেও ডাক্তাররা সেদিকে কোনো নজরই দেননি। পরে তার অবস্থা গুরুতর দেখে তাকে ঢাকা নিয়ে যেতে বলেন। ঢাকা নেয়ার পথে সুলতানা বেগম মারা যান। তবে ভাগ্যক্রমে দুর্ঘটনায় তার মেয়ে আফরিন আক্তার বেঁচে গেছে।
শীর্ষ নিউজ