Monday, July 18, 2011

আধারায় আ’লীগের দু’গ্রুপে গোলাগুলি-বোমাবাজি, আহত ৫

মুন্সীগঞ্জের চরাঞ্চলের আধারা ইউনিয়নের সোলারচর গ্রামে সোমবার সন্ধ্যায় আ’লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও বোমাবাজির ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছে। সন্ধ্যা ৭ টার দিকে স্থানীয় আ’লীগ নেতা আলী হোসেন ও আধারা ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সুরুজ মেম্বারের নেতৃত্বাধীন দু’গ্রুপের মধ্যে ওই গোলাগুলি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে।


আহতদের গোপনে বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে উভয় গ্রুপই দাবি করেছে। উভয়পক্ষের দাবি মোতাবেক- আ’লীগ কর্মী বাদলসহ ৫ জন আহত হয়েছে এ ঘটনায়।

আ’লীগ নেতা আলী হোসেন বাংলানিউজকে জানান, সন্ধ্যায় তার ছেলে বাদল আধারা ইউনিয়নের বকুলতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গেলে প্রতিপক্ষ সুরুজ মেম্বারের লোকজন বন্দুকের বাট দিয়ে তাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ খবর পেয়ে আলী হোসেনের লোকজন বকুলতলার দিকে যাওয়ার পথে সুরুজের লোকজনের মুখোমুখি হয়।

এসময় উভয় গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। আধারা ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সুরুজ মেম্বার জানান, আ’লীগ নেতা আলী হোসেনের লোকজন অকারণে সোলারচর গ্রামে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় তার লোকজনের ওপর বোমা নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

সদর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, সামান্য মারামারি হয়েছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অন্তত ১০ রাউন্ড গুলি ও ২০টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটেছে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
-------------------------------

মুন্সীগঞ্জে দু’গ্রুপের সংর্ঘষে আহত ৭, ককটেল বিস্ফোরণ

মুন্সীগঞ্জ সদরের বকুলতলা এলাকায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আধারা ইউনিয়নের বকুলতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাবেক চেয়ারম্যান রহমত আলী মোল্লা গ্রুপের সঙ্গে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন গ্রুপের এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কিছু ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়েছে।

জানা যায়, সদরের আধারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রহমত আলী মোল্লা গ্রুপের বাদল নামের এক ব্যক্তিকে আজ সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে মারধর করে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন গ্রুপ। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ সোলারচর, আধারা, ডুবসা ও বকুলতলাসহ ৪টি গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানায়, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলেও এখনো থেমে থেমে ককটেল বিস্ফোরণ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া অব্যাহত রয়েছে।

সদর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সুলতান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসআই মিজানের নেতৃত্বে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে।

শীর্ষ নিউজ
-------------------------------