থানা হাজতে আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জ শহরে পুলিশ ও আসামি পক্ষের নারীদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়েছে। এ সময় পুলিশের পিটুনিতে এক নারী আহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে জেলা শহরের মালপাড়া এলাকার সদর থানার অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে।
এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আসামি আরিফ হোসেনকে দেখতে আসা ৮-১০ জন নারী ও থানা পুলিশের মধ্যে ওই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
আহত নারী গ্রেপ্তারকৃত আসামির খালা সাজেদা বেগম।
পুলিশ তাকে বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়েছে বলে দাবী করেছে আসামি পক্ষের লোকজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মুন্সীগঞ্জ শহরে এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া আসামি মো. আরিফকে দেখতে তার খালা সাজেদা বেগমসহ ৮-১০ নারী থানা হাজতে যান।
এ সময় হাজতখানার সামনে কর্তব্যরত কনস্টেবল তাদের কাছে আসামি দেখার জন্য টাকা চাইলে বিপত্তি বাধে।
এতে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নারীরা হাজত খানার সামনে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের হস্তাধস্তি শুরু হয়।
এ ঘটনায় কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার এএসআই মো. শাহীন বাংলানিউজকে জানান, কথা কাটাকাটি থেকে ঘটনা ঘটে গেছে। তবে বিষয়টি সামান্য। গুরুতর কিছু ঘটেনি।’
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
----------------------------------------------
মুন্সীগঞ্জে থানায় পুলিশ সঙ্গে আসামি পক্ষের মহিলাদের হাতাহাতি
কাজী দীপু, মুন্সীগঞ্জ থেকে: থানা হাজতে আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করা নিয়ে মুন্সীগঞ্জ কোতোয়ালি থানার পুলিশ ও আসামির পক্ষের মহিলাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের পিটুনিতে এক মহিলা আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
সূত্র জানায়, এক স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগে আসামি আরিফ হোসেনকে মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। থানাহাজতে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বিকাল ৩টার দিকে তার খালা সাজেদা বেগমসহ কয়েকজন মহিলা থানায় যায়। মহিলাদের অভিযোগ, কর্তব্যরত কনস্টেবল তাদের কাছে আসামি দেখার জন্য টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাজত খানার সামনে গেলে পুলিশ ও মহিলাদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।
ডিউটি অফিসার এএসআই মো. শাহীন জানান, কথা কাটাকাটি থেকে ঘটনা ঘটে গেছে।
আমাদের সময়
------------------------------------------
[ad#bottom]