এটর্নি জেনারেল বলেন, এ রায়ের ফলে ১৯৮২ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত সামরিক আদালতে সাজাপ্রাপ্তদের জামিনসহ আইনী প্রতিকার পাবার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, ৫ম সংশোধনীর মতো এ মামলায়ও সামরিক শাসনকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে সর্বোচ্চ আদালত। তবে ওই সময়কার রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম ও চুক্তি পাস্ট এ- ক্লোজড হিসেবে মার্জনা করে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের কারণে এরশাদের শাস্তির বিষয়ে আদালতের কোনো নির্দেশনা রয়েছে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে এটর্নি জেনারেল বলেন, এরশাদ ছিলেন জিয়াউর রহমানের সেনা প্রধান। জিয়ার পথ অনুসরণ করেই তিনি (এরশাদ) ক্ষমতা দখল করেছিলেন। তবে অবৈধ ক্ষমতা দখলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার আদালত সংসদের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাবার পরই এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে রিটকারী সিদ্দিক আহমেদের আইনজীবী ব্যারিস্টার হাসান এস এম আজীম রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, সামরিক আদালতের দেয়া সাজাকে অবৈধ করে জামিন দেয়ায় আমরা সন্তুষ্ট। এরশাদের বিচার দাবি করেন কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপিল আবেদনে আমরা এ বিষয়ে কিছু চাইনি।