পদ্মা সেতুর জন্য ভূমি অধিগ্রহণের ফলে যেসব পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে,তাদের পুনর্বাসনও চলছে ধীর গতিতে। সড়ক,পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত সেতু বিভাগের এক বৈঠকে কর্মকর্তারা এ কথা বলেন।সূত্র জানায়,ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য ক্রিশ্চিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট নামের সংস্থার সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
সেতু বিভাগের এক পরিচালক জানান, পুনর্বাসনে দেরী হচ্ছে,কারণ এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এছাড়া কিছু কিছু জমির মালিকানা নিয়েও দ্বন্দ্ব রয়েছে।
ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মোট সংখ্যা ২,৫৯২টি। তবে এখন পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অন্য জায়গায় জমি পেয়েছে মাত্র ৮৫৭টি পরিবার।
সূত্র জানায়, পুনর্বাসন প্রকল্পের অধীনে জীবিকার সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্যে আরও একটি বেসরকারি সংস্থাকে নিয়োগ দেবে সরকার।
সেতু বিভাগের তথ্যমতে,পদ্মা সেতুর কাজ শতকরা ৩০ ভাগ শেষ হয়েছে।
সড়ক, যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন,সিনোহাইড্রো নামে একটি চীনা সরকারি প্রতিষ্ঠান আগামী জানুয়ারি মাসে নদী শাসনের কাজ শুরু করবে।
বাংলা ট্রিবিউন