Tuesday, October 21, 2014

প্রস্তাবিত দোতলা পদ্মা সেতুতে রেলপথ নির্মাণের নির্দেশনা চাওয়া হবে

২৩ অক্টোবর রেল মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রস্তাবিত দোতলা পদ্মা সেতুর নিচের অংশে রেলপথ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা চাইবে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া তাঁর কাছে বঙ্গবন্ধু সেতুর সমান্তরালে আলাদা রেল সেতু, দোহাজারি-কঙ্বাজার-রামু-গুনদুম রেলপথ, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডাবল লাইন, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর রেলপথ, ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ ঘাটে যমুনা নদীর তলদেশে বহুমুখী টানেল, কর্ণফুলী সড়ক ও রেল সেতু নির্মাণ, ১০০ মিটার গেজ কোচ ও ২০টি মিটার গেজ ইঞ্জিন কেনার বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হবে। রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। আগামী ২৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী রেলপথ মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করবেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়সাপেক্ষ পদ্মা সেতুর ওপরে সড়ক পরিবহনব্যবস্থা থাকবে। নিচে চলাচল করবে ট্রেন। সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য চায়না মেজর ব্রিজ কম্পানি লিমিটেড দ্রুত কাজ শুরু করতে তৎপর রয়েছে। তবে রেল সংযোগের বিষয়টি অনিশ্চিত। পদ্মা সেতুতে ট্রেন চলাচলের জন্য ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৮২.৩২ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করতে হবে। এর মধ্যে রাজধানীর কমলাপুর থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৪৪.৩২ কিলোমিটার, পদ্মা সেতুর ওপর ৬.১৫ কিলোমিটার ও সেতুর জাজিরা প্রান্ত থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৩১.৮৫ কিলোমিটার পথ নির্মাণ করতে হবে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল অংশকে পদ্মা সেতুর সঙ্গে রেলপথে যোগ করতে ভাঙা থেকে যশোর পর্যন্ত অন্য আরো একটি প্রকল্পে ব্যয় হবে তিন হাজার ৮২৫ কোটি টাকা। বর্তমানে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষকে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে প্রায় ১০০ কিলোমিটার পথ ঘুরে রেলপথে রাজধানীতে আসতে হয়।

প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে পণ্য পরিবহন বাড়াতে পৃথক কনটেইনার করপোরেশন গঠন, চট্টগ্রামের পাশাপাশি মংলা থেকে রেলপথে পণ্য পরিবহনের ব্যবস্থা নিয়ে রেল কর্মকর্তারা প্রস্তাব তুলে ধরবেন। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে গৃহীত প্রকল্পগুলো নিয়েও আলোচনা হবে।

কালের কন্ঠ