Monday, October 20, 2014

টঙ্গীবাড়ীতে স্বর্ণ চোরাচালান নিয়ে বৈঠকে সংঘর্ষে আহত ১৫ : আটক ৭

টঙ্গীবাড়ী উপজেলার নোয়াদ্দা গ্রামে খোয়া যাওয়া চোরাচালানের স্বর্ণ নিয়ে সালিশ বৈঠক রোববার রাতে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে সোহেল (২৮), মহসিনকে (৩৮) টঙ্গীবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্র এবং বাকীদের বিভিন্ন হাসাপতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্বর্ণ চোরাকারবারী আসলাম হোসেন শেখ ও শামসুল আলম শেখসহ আট জনকে আটক করেছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নোয়াদ্দা গ্রামের আসলাম হোসেন শেখের পাঁচ ভাই অবৈধভাবে বিদেশ থেকে স্বর্ণ আমদানী করে আসছেন। এই স্বর্ণ বহনের জন্য একই গ্রামের সোহেল মিয়াকে ক্যারিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হয়। সে ১০/১২টি চালান দেশে পৌছে দেয় । সম্প্রতি মালেশিয়া থেকে দুই কেজি ২শ’ গ্রাম স্বর্ণ নিয়ে দেশে প্রবেশ করে। এ সময় ঢাকা শাহজালাল বিমান বন্দরের বাইরে থেকে স্বণের্র মালিক আসলাম শেখের উপস্থিতিতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সোহেলকে মাইক্রোতে তুলে নিয়ে যায়। পরে স্বর্ণ রেখে যাত্রাবাড়ি এলাকায় সোহেলকে নামিয়ে দেয়। এই স্বর্ণ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধ নিরসনে রোববার বিকালে নেয়াদ্দা গ্রামের হাজী সুলতান শেখের বাড়িতে সালিশ বৈঠক বসে। আউটশাহী ইউপি চেয়ারম্যান সেকান্দর ব্যাপারী সোহেলকে ১০ লাখ টাকা জরিমানার রায় দেন।

কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয় বাদী আসলাম হোসেন গং। তারা সালিশ বৈঠক থেকে সোহেলকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। চেয়ারম্যান বাঁধা দিতেই তাকেও লাঞ্ছিত করে। খবর পেয়ে চেয়ারম্যানের লোকজন ছুটে আসলে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে পুলিশ এসে কয়েক দফা চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সোহেলকে উদ্ধার করা হয়। টঙ্গীবাড়ি থানার ওসি আব্দুল মালেক জানান, ঘটনাস্থল থেকে উভয় পক্ষের ৭ আটক করা হয়। এরা হলো- স্বর্ণ চোরাকারবারী আসলাম হোসেন শেখ (৩৮) তার ভাই শামসুল আলম শেখ (৪৮), ইলিয়াম শেখ (৪৫), শিফাত ব্যাপারী (১৮), মোরসালিন শিকদার (২২), আকরাম আল শেখ (৬৫), শাহিন শেখ (২৩)। তবে কোন পক্ষই রাত ১০টা পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করে নাই।

বি.চিত্র