Sunday, October 05, 2014

মাওয়ায় ঘরমুখো মানুষের ঢল : অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চ চলাচল

mawa tjঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহি বাসের যানজট। দক্ষিণ -পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছে মাওয়া ঘাটে। ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের নাঁড়ীর টানে মাওয়া ঘাট হয়ে ছুটে চলছেন নিজ গন্তব্যে।

শনিবার সকাল থেকেই ফেরীঘাটে পারাপারে যাত্রীবাহী পরিবহনের চাপ দেখাযায়। ৩টি ঘাটে ফেরী পারপারে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষায় ৫ শতাধিক ছোট বড় যানবাহনসহ ৩শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক। ফেরী কর্তৃপক্ষ পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ রাখে।

মাওয়া ১ নং, ২নং ফেরীঘাটে ফেরী পারাপারের যানবাহনের দীর্ঘ লাইন । এ সময় যাত্রীবাহী পরিবহনকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ফেরীতে ওঠার জন্য। ঘন্টার পর ঘন্টা চরম দুর্ভোগে পড়েন ঘরমুখো যাত্রীরা অন্যদিকে সকাল থেকে মাওয়া – কাওড়াকান্দি ও মাওয়া- মাঝিকান্দি নৌপথে লঞ্চ, ট্রলার ও স্পীডবোটসহ প্রতিটি নৌযানে ছিল যাত্রীদের আগে ওঠার প্রতিযোগীতা। বেশীরভাগ লঞ্চগুলো ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে।

তবে ঘরমুখো যাত্রীরা লঞ্চমালিক, পুলিশ প্রশাসন, বিআইডব্লিইটিএর কর্মকর্তাদের নির্দেশ উপেক্ষা করে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে লঞ্চে উঠছেন। যাত্রীদের চাপের কারণে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সীবোট কাউন্টারে যাত্রীদের দীঘ লাইন দেখা দেয় । স্পীডবোটের ভাড়া ১৮০ টাকা সর্বোচ্চ ধরা হলেও ২০০ টাকা করে নিচ্ছেন। নির্ধারিত বাস ভাড়া ৭০টাকার স্থলে ১০০থেকে ১৫০টাকা আদায় করা হয় বলে যাত্রীদের অভিযোগ।

ঢাকা রেঞ্জের নৌ-পুলিশের ডিআইজি মোঃ মনিরুজ্জামান জানান, সকাল থেকে আমি ঘাট পরিদর্শন করেছি। কোন লঞ্চ, স্পীডবোট অতিরিক্ত যাত্রী নিতে পারবে না, নিলে প্রমান পেলে ব্যাবস্থা নিব। অতিরিক্ত ভাড়া যদি কেহ নেয় প্রমান পেলে তারও ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

নৌ-পুলিশের এএসপি শামিমুর রহমান বলেন, ঘাটে অতিবৃদ্ধ, শিশু ও মহিলাদের পাড়াপাড়ে সহযোগীতা করছে নৌ-পুলিশ। পূর্বের চেয়ে এখন ঘাটে শৃংখলা সৃষ্টি হয়েছে।লঞ্চে ক্যাপাসিটির বাইরে অতিরিক্ত যাত্রী যাচ্ছে না। স্পীড বোটে সকলযাত্রী লাইফ জ্যাকেট পরে যাচ্ছে।

বাংলাপোষ্ট