মুন্সীগঞ্জ শহর থেকে বের হওয়ার মুখে মুক্তারপুর পুর্নিমা পাম্পের কাছে রাস্তায় বিরাট কয়েকটি গর্ত। বৃষ্টি হলে এ গর্তে পানি জমে যায়। এর ফলে ভাড়ী যানবাহন এ গর্তে পড়ে গেলে এ রাস্তা দিয়ে আর কোন যানবাহন চলাচল করতে পারে না। অথচ এ গর্তের মধ্যে ইটের খোয়া দিলে প্রাথমিক এ রাস্তাটি ব্যবহারের উপযোগী হয়ে উঠে। এ অবস্থা দুর্গাবাড়ীতেও বিরাজ করছে। সওজ বিভাগের এ বিষয়ে কোন উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। মুন্সীগঞ্জ থেকে যে কোন যানবাহন ঢাকায় যেতে হলে নারায়নগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে যেতে হয়। সৈয়দপুর থেকে পঞ্চবটি পর্যন্ত এ রাসত্মাটি নারায়ানগঞ্জ জেলার সীমানায় পড়েছে। তাই এ রাস্তার বেহাল দশা দূর করার দায়িত্ব নারায়ণগঞ্জ সওজ বিভাগের। সৈয়দপুর পার হলে ফকির বাড়ি আধা কিলোমিটার পর্যমত্ম রাস্তা রয়েছে কয়েক শ’ত গর্ত। এ পথের ফকির বাড়ি রাস্তার অবস্থা অনুরুপ। ভোলাইলসহ শাসনগাঁও নারায়ণগঞ্জের বিসিক পর্যন্ত রাস্তায় গর্ত আর গর্ত। এ গর্তে আবার পানি জমে থাকার কারণে যাতায়াতে পরিস্থিতি আরো নাজুক করে তুলেছে। এ গর্তেও মধ্যে কোন ভারি যানবাহন পড়ে গেলে সেদিন আর এ পথ দিয়ে অন্য কোন যানবাহন চলাচল করতে পারে না। এ পথ দিয়ে ঢাকা গেলে মনে হবে নাগরদোলায় চেপে ঢাকায় যাওয়া হচ্ছে। আর এ পথে কোন রোগী গেলে তো আর তার কথাই নেই।
এসব কারণে এ পথ পরিহার করে যাত্রীবাহী বাস গুলো মাওয়া হয়ে মুন্সীগঞ্জে যাতায়াত করছে। এতে এ পথে যাত্রীদের সময় বেশি লাগছে। যেখানে নারায়ণগঞ্জ হয়ে ঢাকায় গেলে ৪০ টাকা ভাড়া দিতে হতো। সেখানে এখন যাত্রীদের ভাড়া গুনতে হচ্ছে ৫০ টাকা। গত বিএনপি সরকারের সময় এ রাস্তার বেহাল দশার কারণে মুন্সীগঞ্জ সওজ বিভাগের উর্ধ্বর্তন কর্মকর্তারা এ পথে না এসে অধিক অর্থ ব্যয় করে নারায়নগঞ্জের পাগলা থেকে স্পীড বোর্ডে মুন্সীগঞ্জে যাতায়াত করতেন। বর্তমান কর্মকর্তারা মনে হয় এই নাজুক পথে যাতায়াত করেন না। যদি যাতায়াত করতেন তবে এ পথের এ অবস্থা এমন থাকতো না। তা ছাড়া সরকারের মন্ত্রী ও উর্ধ্বতন কর্তা ব্যাক্তিরাও অনেক দিন ধরে এ পথে আসেন না। যার কারণে এ পতের সঠিক চিত্র সর্ম্পকে তাদের ধারণা নেই। তাই ভুক্তভোগী এলাকাবাসী এ বিষয়ে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তপক্ষর হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
মুন্সীগঞ্জ নিউজ