সেই সার্জারির পর বেশ সুস্থ অবস্থাতেই গত শুক্রবার হাসপাতাল থেকে বাসায় আনা হয় তাকে। কিন্তু তার দু’দিন পরই হঠাৎ করে অনেকটা অচেতন হয়ে পড়লে তাকে গতকাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে হাসপাতালের অপারেশন (অ্যাডমিন) মাহবুবুল আলম বাবু মানবজমিনকে জানান, বয়াতি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েই শুক্রবার বাড়ি গিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ আবার বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। শরীরও নাড়াতে পারছেন না। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই আমরা চিকিৎসা শুরু করবো। তবে তার অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। আবদুর রহমান বয়াতির মেজো ছেলে আলম জানান, অনেক ভাল অবস্থায় বাবাকে বাসায় নিয়ে গিয়েছিলাম। দু’দিন খুব ভাল ছিলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ যে কি হলো বুঝলাম না। বাবার কোন বোধশক্তিই নেই এখন। চোখও খুলছেন না। আমি আমার পরিবারের পক্ষ থেকে বাবার জন্য দেশের সবার কাছে দোয়া চাইছি।
বিক্রমপুরের ইতিহাস শুধু একটি পরগনার ইতিহাস নহে, ইহা বঙ্গেরই ইতিহাস...
Tuesday, July 05, 2011
আশঙ্কাজনক অবস্থায় আবারও হাসপাতালে আবদুর রহমান বয়াতি
সেই সার্জারির পর বেশ সুস্থ অবস্থাতেই গত শুক্রবার হাসপাতাল থেকে বাসায় আনা হয় তাকে। কিন্তু তার দু’দিন পরই হঠাৎ করে অনেকটা অচেতন হয়ে পড়লে তাকে গতকাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে হাসপাতালের অপারেশন (অ্যাডমিন) মাহবুবুল আলম বাবু মানবজমিনকে জানান, বয়াতি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েই শুক্রবার বাড়ি গিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ আবার বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। শরীরও নাড়াতে পারছেন না। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই আমরা চিকিৎসা শুরু করবো। তবে তার অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। আবদুর রহমান বয়াতির মেজো ছেলে আলম জানান, অনেক ভাল অবস্থায় বাবাকে বাসায় নিয়ে গিয়েছিলাম। দু’দিন খুব ভাল ছিলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ যে কি হলো বুঝলাম না। বাবার কোন বোধশক্তিই নেই এখন। চোখও খুলছেন না। আমি আমার পরিবারের পক্ষ থেকে বাবার জন্য দেশের সবার কাছে দোয়া চাইছি।