Wednesday, May 04, 2011

ফয়েজ আহমেদের জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

গতকাল সোমবার ছিল প্রবীণ সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ফয়েজ আহমেদের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী। সকালে শুভানুধ্যায়ীদের অনেকেই ফুল, মিষ্টি আর কেক নিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন তাঁর সোবহানবাগের বাসভবনে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, সাংসদ আসাদুজ্জামান নূর, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, শিল্পী মনিরুজ্জামান, মানজার চৌধুরী ও রেজিনা ওয়ালী প্রমুখ। তাঁরা সেখানে গিয়ে কেক কাটেন এবং ফয়েজ আহ্মদের সঙ্গে গল্প করে কিছু সময় কাটান।

বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁর জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কেক কেটে ও ফুল দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে তাঁর কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে স্মৃতিচারণা করেন সাদেক খান, আতাউস সামাদ, রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, ডিপি বড়ুয়া, সৈয়দ দিদার বখত প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ।

জন্মদিনে ফয়েজ আহ্মদকে শুভেচ্ছা জানান আসাদুজ্জামান নূর, রামেন্দু মজুমদারসহ সাংস্কৃতিক জোটের নেতারা

ফয়েজ আহ্মদ ১৯২৮ সালের ২ মে বিক্রমপুরের ভাসাইলভোগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪৮ সাল থেকে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন সময় দৈনিক আজাদ, পূর্বদেশ, ইত্তেফাক এবং সাপ্তাহিক ইনসাফ, ইনসানসহ বহু পত্রিকায় কাজ করেন।

ফয়েজ আহ্মদের রচিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ১০০। এর মধ্যে ৫০টি শিশু-কিশোরদের ছড়া ও কবিতার বই। মধ্যরাতের অশ্বারোহী, হে কিশোর, কামরুল হাসানের চিত্রশালায়, এ কালের ছড়া, ছড়ায় ছড়ায় ২০০, তুলির সাথে লড়াই, রিমঝিম প্রভৃতি তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। ফয়েজ আহ্মদ বাংলা একাডেমী, শিশু একাডেমী পুরস্কারসহ অনেক সম্মাননায় ভূষিত হন।

ওপেনহার্ট সার্জারি ও চোখে অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে তিনি অধিকাংশ সময় নিজ বাসভবনেই কাটান। কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে অনুলেখকের মাধ্যমে কলাম লেখেন।