জানা গেছে, এ অঞ্চলে তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিলে ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে ২.৪৪৩ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের জন্য ৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। মোট কাজকে ১০টি প্যাকেজে ভাগ করা হয়। ছয়টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পায়। এরপর শুরু হয় বস্নক তৈরির কাজ। ২০০৯ সাল থেকে নদীর তলদেশ থেকে বস্নকগুলো ফেলে তৈরি করা হয় পদ্মা নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধ। বন্ধ হয়ে যায় এ ভাঙন। আশার আলো দেখতে পায় এ অঞ্চলের মানুষ। গত বছর বাঁধের কিছু অংশে ভাঙন দেখা দিলে বস্নক বসিয়ে আবার বাঁধ সংস্কার করা হয়। এ বছর বর্ষা মৌসুমে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে বস্নক সরে গিয়ে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী কিছু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বস্নক ফেলে পুনরায় সংস্কার করলেও এখনো অধিকাংশ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাঁধের সংস্কার কাজ শুরু করেনি।
বিক্রমপুরের ইতিহাস শুধু একটি পরগনার ইতিহাস নহে, ইহা বঙ্গেরই ইতিহাস...
Tuesday, May 10, 2011
টঙ্গীবাড়িতে পদ্মারক্ষা বাঁধে ধস
জানা গেছে, এ অঞ্চলে তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিলে ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে ২.৪৪৩ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের জন্য ৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। মোট কাজকে ১০টি প্যাকেজে ভাগ করা হয়। ছয়টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পায়। এরপর শুরু হয় বস্নক তৈরির কাজ। ২০০৯ সাল থেকে নদীর তলদেশ থেকে বস্নকগুলো ফেলে তৈরি করা হয় পদ্মা নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধ। বন্ধ হয়ে যায় এ ভাঙন। আশার আলো দেখতে পায় এ অঞ্চলের মানুষ। গত বছর বাঁধের কিছু অংশে ভাঙন দেখা দিলে বস্নক বসিয়ে আবার বাঁধ সংস্কার করা হয়। এ বছর বর্ষা মৌসুমে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে বস্নক সরে গিয়ে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী কিছু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বস্নক ফেলে পুনরায় সংস্কার করলেও এখনো অধিকাংশ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাঁধের সংস্কার কাজ শুরু করেনি।