রোববার সকালেই এসইসি প্রধানের পদে নিয়োগ পান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ-আইসিবি'র চেয়ারম্যান ড. খায়রুল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের এই শিক্ষক এসইসিতে জিয়াউল হক খোন্দকারের স্থলাভিষিক্ত হলেন।
বিকালে এসইসিতে যোগ দেওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে খায়রুল বলেন, "আমাদের একটিই লক্ষ্য- একটি স্বচ্ছ ও শক্তিশালী পুজিঁবাজার গড়ে উঠুক। আমরা চাই নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে সত্যতা ও জবাবদিহিতা আরো নিশ্চিত হোক।"
নতুন চেয়ারম্যান আহ্বান জানান- "আসুন, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি, যাতে সব স্টেকহোল্ডারের অংশগ্রহণে পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত করতে সহায়ক হয়ে ওঠে।"
বিনিয়োগকারীদের 'বুঝে-শুনে' বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, "আপনারা প্রতারিত হবেন না। স্থিতিশীল পুঁজিবাজার যাতে মৌলভিত্তির ওপরে থাকে, আমরা সেই চেষ্টাই করব।"
ড. খায়রুল প্রতিশ্র"তি দেন, তার অধীনে এসইসি নীতিমালা মেনেই কাজ করবে। কোথাও কোনো জটিলতা থাকলে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সংস্কার করা হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই অধ্যাপক বলেন, "এখানে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, সেসব আমি জানি। আমাকে স্টাডি করতে দিন। আপনাদের সব প্রশ্নের জবাব আমি দেব।"
সংবাদ সম্মেলনে খায়রুল হোসেন জানান, এসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি তাকে রোববার সকালে টেলিফোনে জানানো হয়। আর নিয়োগপত্র পাঠানো হয় ফ্যাক্সে। এরপর তিনি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
পুঁজিবাজারে অস্থিরতার কারণ তদন্তে গঠিত কমিটি এসইসির খোলনলচে বদলে ফেলার সুপারিশ করার পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছিলেন, এসইসির চেয়ারম্যানসহ সদস্য পদে পরিবর্তন আনা হবে।
তার ওই বক্তব্যের এসইসির দুই সদস্য মো. আনিসুজ্জামান ও ইয়াসিন আলী পদত্যাগ করেন। সদস্য হিসেবে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হেলালউদ্দিন নিজামীকে।
এসইসির সদস্য পদে আরো দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী ইতোপূর্বে জানিয়েছেন।
রোববার খায়রুলকে নিয়োগ দেওয়ার আগে জিয়াউল হককে এসইসি থেকে প্রত্যাহার করে তার চাকরি জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। তিনি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে ছিলেন। তবে তার চুক্তির মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি।
[ad#bottom]