অ্যালবাম দুটি নিয়ে বলুন।
একটি অ্যালবাম দেশাত্মবোধক গান নিয়ে 'হৃদয়ের গান-১'। অন্যটি আধুনিক গান নিয়ে 'হৃদয়ের গান-২'। অ্যালবাম দুটিতে মোট ২০টি গান রয়েছে। সব গানের কথা লিখেছেন জিয়া আহমেদ শেলী। 'হৃদয়ের গান-১'-এর শিল্পীরা হলেন সাবিনা ইয়াসমিন, রুমানা ইসলাম, দিনাত জাহান মুন্নী, তিশমা, বিউটি, লিজি আহমেদ, ফারজানা আলী, কোনাল ও দিপ্তী। আর 'হৃদয়ের গান-২'-এ কণ্ঠ দিয়েছেন সুবীর নন্দী, রফিকুল আলম, এন্ড্রু কিশোর, শুভ্র দেব, মনির খান, এস আই টুটুল ও বিপ্লব। অ্যালবাম দুটির ভাবনা হঠাৎ করেই। প্রথম অ্যালবামটির কাজ করতে গিয়েই দ্বিতীয়টি করে ফেললাম।
একসঙ্গে দুটি অ্যালবাম তো আগে কখনোই করেননি?
হ্যাঁ। আমার দীর্ঘ সংগীতজীবনে এবারই প্রথম একসঙ্গে দুটি অ্যালবাম বের করলাম। এ আনন্দটাই অন্য রকম। প্রায় সাড়ে তিন বছর পর অডিওতে ফিরলাম। অনেক দিন ধরেই ইচ্ছা ছিল নিজের মতো করে কিছু গান তৈরি করার। চলচ্চিত্রের কাজ কম থাকায় সময় পেয়ে গেলাম। গানগুলোর জন্য সবার কাছ থেকে বেশ ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি।
হঠাৎ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দিয়েছেন কী ভেবে?
এখন অ্যালবাম বের করতে গেলে অনেক ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়। তাই নিজেই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দিয়েছি। প্রতিষ্ঠানটির নাম 'একতারা মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন'। এ অ্যালবাম দুটি দিয়ে এর যাত্রা শুরু হলো। তবে অ্যালবামগুলো পরিবেশনার দায়িত্বে থাকছে ডেসটিনি গ্রুপ।
আপনি তো 'এলসিএস গিল্ড'-এর সভাপতি। সংগঠনের কাজ কেমন চলছে?
সংগঠনের কাজ নিয়ে আমি দারুণ খুশি। এই সময়ের মধ্যে আমরা বেশ কিছু ইতিবাচক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছি। এ বছরই প্রথম দেশে 'আন্তর্জাতিক কপিরাইট দিবস' পালিত হয়েছে। সেখানে আমরা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবেই অংশ নিয়েছি। সামনে আমাদের বেশ কিছু নতুন পরিকল্পনা আছে। এসবই গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট।