পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মুন্সীগঞ্জে রাক্ষুসি পদ্মা এখন রুদ্র মূর্তি ধারণ করেছে। গত এক সপ্তাহে লৌহজং, শ্রীনগর ও টঙ্গিবাড়ি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
ভাঙ্গঙের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নদীতীরবর্তী ২০টি গ্রামের দুই সহস্রাধিক পরিবারে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বর্তমানে বসতভিটা, ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি স্থাপনা ভাঙনের গর্জন নিয়ে ধেয়ে আসছে নদীতীরবর্তী গ্রামগুলোর দিকে। লৌহজংয়ের কনকসার এলাকার শত বছরের ব্রাহ্মনগাওঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি অংশ ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে এবং অপর অংশটি ভাঙনের মুখে পড়েছে। এছাড়া আরো হুমকির মুখে পড়েছে লৌহজং থানা ভবন, সাবরেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি অফিস, টঙ্গিবাড়ীর হাসাইল বাজার, দিঘিরপাড় বাজারসহ শতশত ঘরবাড়ি ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি।
স্থানীয় প্রশাসন নদী ভাঙনরোধে এখনও কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় তীরবর্তী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা বাঁশের বেড়াসহ নানা পন্থায় ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা অবিলম্বে ভাঙ্গন প্রতিরোধে সরকারের আশু পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।