Saturday, September 01, 2012

খুনি ডাক্তার মুন্নির ভূল অপারেশনে আরো এক প্রসূতির মৃত্যু

মুন্সীগঞ্জ শহরের কাছে সিপাহীপাড়া এলাকায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ডাক্তার নাসিমা আক্তার মুন্নীর ভুল চিকিৎসায় আবারো এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে স্বজনরা ওই ক্নিনিক ঘেরাও করে এবং পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে ক্লিনিক ভাঙচুর করে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


সিজারের পর প্রসূতিকে ২ দিন আগে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে প্রসূতি রোকসানা বেগম (৩০) মারা যান। শহরের কাছে সিপাহীপাড়ার বিক্রমপুর ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত প্রসূতির স্বজনরা জানান, প্রসব বেদনা উঠলে জেলা সদরের রামপালের পানহাটা গ্রামের কাবিল মাদবরের স্ত্রী রোকসানা বেগমকে রোজার ঈদের দিন বিক্রমপুর ক্লিনিকে ভর্তি করে। পরের দিন ক্লিনিকে প্রসূতির সিজার করে ডাক্তার মুন্নী। এ সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রসূতির কোন উন্নত চিকিৎসা প্রদান করেনি। এক পর্যায়ে প্রসূতির শারীরিক অবস্থায় সংকটাপন্ন হলে ডাক্তার মুন্নী বুধবার দিবাগত গভীর রাত ৩টার দিকে প্রসূতিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের পরামর্শ দেন। ২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় চিকিৎসারত অবস্থায় প্রসূতি রোকসানা বেগম মারা যান।

এর আগে ২৪ আগস্ট রাতে শহরের আধুনিক হাসপাতালে ডাক্তার নাসিমা আক্তার মুন্নীর ভুল চিকিৎসায় নৈরপুকুরপাড় গ্রামের প্রসূতি লিমিয়া মমতাজ পপির শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে হয়। এতে ওই রাতে পপির মামা ফখরুদ্দিন আহমেদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ডাক্তার মুন্নীকে গ্রেপ্তার করে। একদিন পর তাকে জেল হাজতে পাঠানো হলে পরদিন প্রসূতির স্বজনদের সঙ্গে ৩ লাখ টাকায় রফাদফা করে আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন।

জাস্ট নিউজ
================

মুন্সীগঞ্জের খুনি ডাক্তার মুন্নির ভূল অপরেশনে আরেক প্রসূতির মৃত্যূ

ব.ম শামীম: ভূল চিকিৎসার মামলায়  গ্রেফতার হয়ে জেল হাজত হতে জামিন পাওয়ার ৪ দিন পর মুন্সীগঞ্জের খুনি ডাক্তার হিসাবে পরিচিত মুন্নির ভূল অপরেশনে অকালে ঝরে গেলো আরেক প্রসূতির প্রান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুক্রবার রাতে রোকসানা নামের এ প্রসূতির মৃত্যূূ হয়।

জানাগেছে, সদর উপজেলার পানহাট্টা গ্রামের কাবিল মাদবর এর স্ত্রী রোকসান বেগম (৩০) এর গত ২০ শে আগষ্ট প্রসব ব্যাথা উঠলে সদর উপজেলার বিক্রমপুর ক্লিনিক এন্ড ডায়গনোষ্টিক সেন্টার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কোন পরিক্ষা ছাড়াই ভর্তির কিছুক্ষন পরেই তাকে সিজার করেন মুন্সীগঞ্জের খুনি ডাক্তার হিসাবে পরিচিত মুন্নি। এর পর অসুস্থ অবস্থায় ২৩ শে আগষ্ট কিছু ঔষধ লিখে দিয়ে রোগীকে রিলিজ করে দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু ঐ সমস্ত ঔষধ নিয়মিত খাওয়ার পরও একে একে রোগীর স্বাস্থ্যের অবস্থার অবনতি হতে থাকলে পূর্নরায় গত ২৮শে আগষ্ট তাকে বিক্রমপুর ক্লিনিক এন্ড ডায়গনোষ্টিক সেন্টার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পর স্বাস্থ্যের অবস্থা আরও অবনতি হলে ৩০ শে আগষ্ট তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রিলিজ করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে দু-দিন মৃত্যূর সাথে পাঞ্জা লড়ার পর শুক্রবার রাতে তার মৃত্যূ হয়। এ অনবিঞ্জ ঘাতক ডাক্তারের হাতে টঙ্গীবাড়ী ইউনাইটেড ক্লিনিক, পঞ্চসার এ আর ক্লিনিক, একতা, সিপাহীপাড়া বিক্রমপুর ক্লিনিক এন্ড ডাযগোনেষ্টিক সেন্টার সহ আন্যান্য ক্লিনিকে ভূল চিকিৎসায় অন্তন্ত ১১ জন প্রসূতি মা ও নবজাতকের মৃত্যূর অভিযোগ রয়েছে।

২৪ শে আগষ্ট শুক্রবার উল্লেখিত ডাক্তার মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার নৈরপুকুরপাড় গ্রামের জাহাঙ্গীর এর স্ত্রী লিমিয়ার পেট কেটে মৃত বাচ্চাকে বের না করে পূর্নরায় সেলাই করে দিয়ে স্থানন্তর করে দেওয়ার ঘটনায় রোগীর মামা ফখরুদ্দিন মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ মুন্নিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করে। আদালত মুন্নিকে গত শনিবার জেল হাজতে প্রেরন করে। এদিকে রোকসানার মৃত্যূর ঘটনায় পানহাট্টা ও তার আশেপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের মা অরুনা বেগম জানান সিজারের পর হতে আমার মেয়ে ব্যাথা ও প্রচন্ড জ্বড়ে ভূগতেছিল। এ আবস্থায় কিছু ঔষধ লিখে দিয়ে ডাক্তাররা বলেন বাড়িতে নিয়ে খাওয়ানগা ভালো অইয়া যাইবো। কিন্তু ভালো না হওয়ায় আবারো আমার মাইয়ারে হাসপাতালে ভর্তি করি। ওগো কারনেই আমার মাইয়ার মরন অইলো আমি ওগো বিচার চাই।

========================

মুন্সীগঞ্জে সেই অনভিজ্ঞ ডাক্তার মুন্নীর ভুল চিকিৎসায় আবারো এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জ শহরের কাছে সিপাহীপাড়া এলাকায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে সেই অনভিজ্ঞ ডাক্তার নাসিমা আক্তার মুন্নীর ভুল চিকিৎসায় শুক্রবার সন্ধ্যা রাতে আবারো এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিজারের পর প্রসূতিকে ২ দিন আগে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে শুক্রবার সন্ধ্যা-রাত ৭ টার দিকে প্রসূতি রোকসানা বেগম (৩০) মারা গেছেন।

এ ঘটনায় শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে নিহত প্রসূতির স্বজনরা ওই কিèনিক ঘেরাও করে। এ সময় সেখানে উত্ত্যপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। শহরের কাছে সিপাহীপাড়া এলাকাস্থ বিক্রমপুর ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত প্রসূতির স্বজনরা জানান, প্রসব বেদনা উঠলে জেলা সদরের পানহাটা গ্রামের কাবিল মাদবরের স্ত্রী রোকসানা বেগমকে রোজার ঈদের দিন বিক্রমপুর ক্লিনিকে ভর্তি করে। পরের দিন ক্লিনিকে প্রসূতির সিজার করে ডাক্তার মুন্নী। এ সময় অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরন হলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রসূতির কোন উন্নত চিকিৎসা প্রদান করেনি। এক পর্যায়ে প্রসূতির শারিরিক অবস্থায় সংকটাপন্ন হলে ডাক্তার মুন্নী গত বুধবার দিবাগত গভীর রাত ৩ টায় প্রসূতিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের পরামর্শ দেন। ২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্ছা লড়ে শুক্রবার সন্ধ্যা রাতে চিকিৎসারত অবস্থায় প্রসূতি রোকসানা বেগম মারা যায়।

এর আগে ২৪ আগষ্ট রাতে শহরের আধুনিক হাসপাতালে ডাক্তার নাসিমা আক্তার মুন্নীর ভুল চিকিৎসায় নৈরপুকুরপাড় এলাকার প্রসূতি লিমিয়া মমতাজ পপির শারিরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে।

এতে ওই রাতে ডাক্তার মুন্নীকে গ্রেফতার ও সদর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।একদিন পর তাকে জেল হাজতে পাঠানো হলে পরের দিন প্রসূতির স্বজনদের সঙ্গে ৩ লাখ টাকায় রফাদফা করে আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন।

বাংলা ২৪ বিডি নিউজ