মীজানূর রহমান শেলী
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
বিক্রমপুরের ইতিহাস শুধু একটি পরগনার ইতিহাস নহে, ইহা বঙ্গেরই ইতিহাস...
Tuesday, July 05, 2011
‘সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও’
মীজানূর রহমান শেলী
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
‘সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও’
মীজানূর রহমান শেলী
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
‘সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও’
মীজানূর রহমান শেলী
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
‘সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও’
মীজানূর রহমান শেলী
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
এই অবস্থায় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহƒত না হয়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহƒত হয়। এই কারণেই, এমনকি দৃশ্যত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও সব কিছু জেতা ও হারার খেলায় পরিণত হয়, যেখানে বিজয়ী দল হয়ে ওঠে সবকিছুর মালিক আর পরাজিত পক্ষ হয় সর্বস্বান্ত। বলা বাহুল্য, এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র বলিষ্ঠ হয় না, হয় দুর্বল ও নির্জীব। এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্রের’ পথ প্রশস্ত করে।
ঢাবি ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনে ফেঁসে যাচ্ছেন ফখরুদ্দীন-মঈন
২০০৭ সালের আগস্ট মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে সৃষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্র-শিক্ষকদের নির্যাতনের ঘটনায় ফেঁেস যাচ্ছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমদ ও সেনা প্রধান মইন উ আহমেদ। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের ওই ঘটনায় ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনের জন্য তাদের দায়ী করেই সংসদীয় তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত হচ্ছে।
সাতানিখিল এলাকায় কৃষককে কুপিয়ে জখম
মুন্সীগঞ্জ সদরের সাতানিখিল এলাকায় দুদু মিয়া (৫৫) নামে ১ কৃষককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখন করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে সাতানিখিল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সদর উপজেলার চরকেওয়ার গ্রামের কৃষক দুদু মিয়া তার গরুর জন্য পাশের সাতানিখিল গ্রামের একটি কৃষি জমির পাড় থেকে ঘাস কাটছিল। এ সময় জমির মালিক সেন্টু সিকদারের নির্দেশে একদল দুর্বৃত্ত দুদু মিয়ার উপর হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঢাবি ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনে ফেঁসে যাচ্ছেন ফখরুদ্দীন-মঈন
২০০৭ সালের আগস্ট মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে সৃষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্র-শিক্ষকদের নির্যাতনের ঘটনায় ফেঁেস যাচ্ছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমদ ও সেনা প্রধান মইন উ আহমেদ। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের ওই ঘটনায় ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনের জন্য তাদের দায়ী করেই সংসদীয় তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত হচ্ছে।
ঢাবি ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনে ফেঁসে যাচ্ছেন ফখরুদ্দীন-মঈন
২০০৭ সালের আগস্ট মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে সৃষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্র-শিক্ষকদের নির্যাতনের ঘটনায় ফেঁেস যাচ্ছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমদ ও সেনা প্রধান মইন উ আহমেদ। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের ওই ঘটনায় ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনের জন্য তাদের দায়ী করেই সংসদীয় তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত হচ্ছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)