Sunday, July 03, 2011

পদ্মার ভাঙনের মুখে হুইপ সাগুফতার বাড়ি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মার ভাঙনের কবলে হারিয়ে যেতে বসেছে জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির বসতবাড়ি। একই আশঙ্কায় রয়েছে চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার পৈত্রিক বাড়িটিও। উত্তাল পদ্মা শনিবার বিকেলে লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের শামুরবাড়ি এলাকায় হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিনের বসত বাড়ির কিনারায় এসেছে ঠেকেছে।

পদ্মার ভাঙনের মুখে হুইপ সাগুফতার বাড়ি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মার ভাঙনের কবলে হারিয়ে যেতে বসেছে জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির বসতবাড়ি। একই আশঙ্কায় রয়েছে চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার পৈত্রিক বাড়িটিও। উত্তাল পদ্মা শনিবার বিকেলে লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের শামুরবাড়ি এলাকায় হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিনের বসত বাড়ির কিনারায় এসেছে ঠেকেছে।

পদ্মার ভাঙনের মুখে হুইপ সাগুফতার বাড়ি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মার ভাঙনের কবলে হারিয়ে যেতে বসেছে জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির বসতবাড়ি। একই আশঙ্কায় রয়েছে চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার পৈত্রিক বাড়িটিও। উত্তাল পদ্মা শনিবার বিকেলে লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের শামুরবাড়ি এলাকায় হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিনের বসত বাড়ির কিনারায় এসেছে ঠেকেছে।

পদ্মার ভাঙনের মুখে হুইপ সাগুফতার বাড়ি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মার ভাঙনের কবলে হারিয়ে যেতে বসেছে জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির বসতবাড়ি। একই আশঙ্কায় রয়েছে চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার পৈত্রিক বাড়িটিও। উত্তাল পদ্মা শনিবার বিকেলে লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের শামুরবাড়ি এলাকায় হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিনের বসত বাড়ির কিনারায় এসেছে ঠেকেছে।

পদ্মার ভাঙনের মুখে হুইপ সাগুফতার বাড়ি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মার ভাঙনের কবলে হারিয়ে যেতে বসেছে জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির বসতবাড়ি। একই আশঙ্কায় রয়েছে চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার পৈত্রিক বাড়িটিও। উত্তাল পদ্মা শনিবার বিকেলে লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের শামুরবাড়ি এলাকায় হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিনের বসত বাড়ির কিনারায় এসেছে ঠেকেছে।

মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের মাওয়া ঘাটে সিবোট, লঞ্চ ও ট্রলারের যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠছে। মাওয়া ঘাটের ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের জিম্মি করে এ ভাড়া আদায় করছে। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করায় যাত্রীরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন বলে জানা গেছে। জানা যায়, মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের পারাপারে সিবোটে জনপ্রতি ১১০ টাকার পরিবর্তে ১৫০ টাকা, লঞ্চে ৩ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা ও ট্রলারে ১৫ টাকার স্থলে ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। প্রতিদিন এভাবে কয়েকশ’ যাত্রীর কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ইজারাদাররা।

মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের মাওয়া ঘাটে সিবোট, লঞ্চ ও ট্রলারের যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠছে। মাওয়া ঘাটের ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের জিম্মি করে এ ভাড়া আদায় করছে। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করায় যাত্রীরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন বলে জানা গেছে। জানা যায়, মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের পারাপারে সিবোটে জনপ্রতি ১১০ টাকার পরিবর্তে ১৫০ টাকা, লঞ্চে ৩ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা ও ট্রলারে ১৫ টাকার স্থলে ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। প্রতিদিন এভাবে কয়েকশ’ যাত্রীর কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ইজারাদাররা।

মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের মাওয়া ঘাটে সিবোট, লঞ্চ ও ট্রলারের যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠছে। মাওয়া ঘাটের ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের জিম্মি করে এ ভাড়া আদায় করছে। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করায় যাত্রীরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন বলে জানা গেছে। জানা যায়, মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের পারাপারে সিবোটে জনপ্রতি ১১০ টাকার পরিবর্তে ১৫০ টাকা, লঞ্চে ৩ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা ও ট্রলারে ১৫ টাকার স্থলে ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। প্রতিদিন এভাবে কয়েকশ’ যাত্রীর কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ইজারাদাররা।

মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের মাওয়া ঘাটে সিবোট, লঞ্চ ও ট্রলারের যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠছে। মাওয়া ঘাটের ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের জিম্মি করে এ ভাড়া আদায় করছে। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করায় যাত্রীরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন বলে জানা গেছে। জানা যায়, মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের পারাপারে সিবোটে জনপ্রতি ১১০ টাকার পরিবর্তে ১৫০ টাকা, লঞ্চে ৩ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা ও ট্রলারে ১৫ টাকার স্থলে ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। প্রতিদিন এভাবে কয়েকশ’ যাত্রীর কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ইজারাদাররা।