Friday, May 13, 2011

জিনের বাদশাহ ডাকাত শহীদ!

পুরান ঢাকার জিনের বাদশাহ এখন ডাকাত শহীদ। সশরীরে তার কোথাও দেখা নেই, অশরীরী এই বাদশাহ ধুমছে চালিয়ে যাচ্ছে চাঁদাবাজি। আধুনিক যুগের জিনের বাদশাহ যেমন মোবাইল ফোনে গভীর রাতে সতর্কবাণী শুনিয়ে সহজ-সরল মানুষকে সর্বস্বান্ত করে, তেমনি মোবাইল ফোনে গায়েবি চাঁদা দাবি করে ডাকাত শহীদ।

জিনের বাদশাহ ডাকাত শহীদ!

পুরান ঢাকার জিনের বাদশাহ এখন ডাকাত শহীদ। সশরীরে তার কোথাও দেখা নেই, অশরীরী এই বাদশাহ ধুমছে চালিয়ে যাচ্ছে চাঁদাবাজি। আধুনিক যুগের জিনের বাদশাহ যেমন মোবাইল ফোনে গভীর রাতে সতর্কবাণী শুনিয়ে সহজ-সরল মানুষকে সর্বস্বান্ত করে, তেমনি মোবাইল ফোনে গায়েবি চাঁদা দাবি করে ডাকাত শহীদ।

পরিচয় - রাহমান মনি

প্রবাসে আমি করি বসবাস তাই
আমি একজন প্রবাসী,
স্বদেশ আমার পরবাস নয়
তবু কেন হই বিদেশী?

পরিচয় - রাহমান মনি

প্রবাসে আমি করি বসবাস তাই
আমি একজন প্রবাসী,
স্বদেশ আমার পরবাস নয়
তবু কেন হই বিদেশী?

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গদ্য

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় অবিশ্রাম গল্প ও উপন্যাস লিখেছেন। ১৯২৮ থেকে মৃত্যুর [১৯৫৬] আগ পর্যন্ত প্রতি বছরই তার কমপক্ষে একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। গল্প-উপন্যাসের অজস্রতার মধ্যে মানিক সুতীক্ষষ্ট কিছু গদ্য-প্রবন্ধও লিখেছেন। তার দুটি এখানে...

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গদ্য

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় অবিশ্রাম গল্প ও উপন্যাস লিখেছেন। ১৯২৮ থেকে মৃত্যুর [১৯৫৬] আগ পর্যন্ত প্রতি বছরই তার কমপক্ষে একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। গল্প-উপন্যাসের অজস্রতার মধ্যে মানিক সুতীক্ষষ্ট কিছু গদ্য-প্রবন্ধও লিখেছেন। তার দুটি এখানে...

সমুদ্রের স্বাদ

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
সমুদ্র দেখিবার সাধটা নীলার ছেলেবেলার! কিছুদিন স্কুলে পড়িয়াছিল। ভূগোলে পৃথিবীর স্থলভাগ আর জলভাগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ আছে। কিন্তু তার অনেক আগে হইতে নীলা জানিত পৃথিবীর তিন ভাগ জল, এক ভাগ স্থল। সাত বছর বয়সে বাবার মুখে খবরটা শুনিয়া কী আশ্চর্যই সে হইয়া গিয়াছিল। এ কি সম্ভব? কই, সে তো রেলে চাপিয়া কত দূরদেশে ঘুরিয়া আসিয়াছে,

সমুদ্রের স্বাদ

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
সমুদ্র দেখিবার সাধটা নীলার ছেলেবেলার! কিছুদিন স্কুলে পড়িয়াছিল। ভূগোলে পৃথিবীর স্থলভাগ আর জলভাগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ আছে। কিন্তু তার অনেক আগে হইতে নীলা জানিত পৃথিবীর তিন ভাগ জল, এক ভাগ স্থল। সাত বছর বয়সে বাবার মুখে খবরটা শুনিয়া কী আশ্চর্যই সে হইয়া গিয়াছিল। এ কি সম্ভব? কই, সে তো রেলে চাপিয়া কত দূরদেশে ঘুরিয়া আসিয়াছে,

দুই উচ্চাকাঙ্ক্ষার দ্বন্দ্ব এবং মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শান্তনু কায়সার
তিনি লিখতে লিখতে জীবনকে দেখেন এবং দেখতে দেখতে তাকে লেখেন। এই দেখা ও লেখার মধ্যে পরস্পরের আন্তঃসম্পর্ক উভয়কেই ঋদ্ধ করে। লেখার টেবিল থেকে উঠে বাজারের থলে নিয়ে প্রকাশকের কাছে যাওয়া এবং তার কাছে চূড়ান্ত হতাশ হওয়ার পরও যিনি লেখা ছাড়তে পারেন না, তিনিই তো প্রকৃত শিল্পী।