Monday, July 27, 2009

মুন্সীগঞ্জে বাস খাদে পড়ে একজন নিহত


পদ্মার পানি আজ কমতে পারে : নদী ভাঙন বৃদ্ধি


মুন্সীগঞ্জে রাক্ষুসি পদ্মা এখন রুদ্র মূর্তি ধারণ করেছে


কিংবদন্তির রাজধানী বিক্রমপুর

দু’হাজার বছর আগের বাংলা। রাজা বিক্রমাদিত্যের হাত ধরে প্রাচীন বাংলার রাজধানী বিক্রমপুরের জন্ম। সেটা যিশুর জন্মের প্রায় শতাব্দী আগের কথা। এরপরে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী পাল রাজারা বসেন সিংহাসনে। প্রায় হাজার বছর আগে এ অঞ্চল জ্ঞান-বিজ্ঞানে ছিল অনন্য। শীলরক্ষিত এবং মহাপণ্ডিত অতীশ দীপঙ্কর জন্ম নেন। এক হাজার বছর আগে দুর্ভেদ্য হিমালয় পাড়ি দিয়ে অতীশ দীপঙ্কর জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেন তিব্বতে, দূরপ্রাচ্যে বৌদ্ধধর্মের প্রসার শুরু হয়। তার জন্মস্থান বজ্রযোগিনী গ্রামটি আজ অজপাড়াগাঁ। তবে চৈনিক সরকারের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত সৌধ এবং নির্মীয়মাণ বিশ্ববিদ্যালয় এই মহামানবের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। পালবংশের পর রাজা আদিশুরের হাত ধরে ফিরে আসে হিন্দু শাসন।

রাজা আদিশুর তার মহারানীকে সন্দেহবশত ঘন জঙ্গলে নির্বাসনে পাঠান। কিংবদন্তি বলে, সেখানেই গর্ভবতী রানী এক পুত্রসন্তান বল্লাল সেনের জন্ম দেন। বল্লাল সেন এই গহিন অরণ্যে ঢাকাপড়া ঈশ্বরীর মূর্তি পেয়ে জঙ্গলে ঢাকা ঈশ্বরী বা ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। অরণ্যের মাঝে ছোট্ট একটি গ্রাম হয় মন্দির ঘিরে, জন্ম নেয় ঢাকা।

যা হোক, রাজা বল্লাল সেন সেন রাজত্ব শুরু করেন। তার সম্পর্কে কিংবদন্তির সংখ্যা এত বেশি যে, অনেক পণ্ডিতের ধারণা, সেন বংশে একাধিক রাজা বল্লাল সেন ছিলেন। স্থানীয়রা সবকিছুতেই বল্লাল সেনের কাজ খুঁজে পান। যেমন বল্লাল সেনের দিঘি। বল্লাল সেন প্রজাদের দুর্দশা লাঘবে দিঘি প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন। মাতৃভক্ত বল্লাল সেনের জননী এক রাতে যতটুকু হাঁটবেন, ততটা জায়গাজুড়ে দিঘি হবে। রাজা ভেবেছেন অন্তপুরবাসিনী বৃদ্ধা আর কতটাই-বা হাঁটবেন! কিন্তু তাকে হতভম্ভ করে দিল রাজমাতার হাঁটা। বুদ্ধি করে বল্লাল সেন মায়ের পায়ে সিঁদুরের দাগ দিয়ে রক্ত বুঝিয়ে থামালেন। কিন্তু মায়ের সঙ্গে মিথ্যাচার ঘোর অধর্ম। তাই রাজার দিঘিতে পানি আসে না।
রাজা নিজেকে আত্মোৎসর্গ করার প্রস্তুতি নিতে থাকেন। কিন্তু বন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রী রামপাল রাজাকে বাঁচাতে দিঘির স্থানে নিজেকে সঁপে দিলেন। তৈরি হলো বল্লাল সেনের দিঘি (অথবা রামপালের দিঘি)। রামপালের আত্মদানের ফল যা-ই হোক না কেন, আজ দিঘিটিতে পানি নেই কিন্তু বিশাল এলাকাজুড়ে নিচু অঞ্চল আর এলাকায় প্রচলিত কিংবদন্তি আজও বল্লাল সেন আর রামপালের বন্ধুত্ব অটুট রেখেছে।

সেন বংশের শেষ রাজার নামও বলল্গাল সেন। প্রজাদের ওপর তার নিপীড়নের কথা শুনে সদলবলে আরব থেকে এদেশে আসেন বাবা আদম নামের এক ধর্মনেতা। প্রতিষ্ঠা করেন এ অঞ্চলের প্রথম মসজিদ। এজন্য বাবা আদমকে যুদ্ধের ময়দানে দাঁড়াতে হয় বল্লাল সেনের সঙ্গে। বল্লাল সেন যুদ্ধে যাওয়ার আগে প্রাসাদের সব রমণীকে বলে গেলেন, তিনি যুদ্ধে হেরে গেলে পোশাকের নিচে লুকানো পায়রা উড়ে আসবে। আর সম্মান রক্ষার্থে তারা যেন সবাই আগুনে আত্মাহুতি দেন। যুদ্ধে মুসলিম যোদ্ধারা পরাজিত হন; কিন্তু বাবা আদমকে কোনো অস্ত্র দিয়েই ঘায়েল করা যাচ্ছে না। তিনি বললেন, মহান আলল্গাহর ইচ্ছায় আমি প্রতিপক্ষের তলোয়ারে মারা যাব না। তিনি নিজ তরবারি বল্লাল সেনের হাতে তুলে দেন। এই তলোয়ারের আঘাতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রে হঠাৎ অসাবধানে পায়রাটি পোশাকের ভেতরে থেকে পালিয়ে বল্লাল সেনের প্রাসাদে চলে আসে। ফলে বল্লাল সেনের পুরো পরিবার ভুল বুঝে আগুনে ঝাঁপিয়ে আত্মহত্যা করে। শোকে পাগল বল্লাল সেনও একই অগি্নকুণ্ডে লাফিয়ে পড়ে সেন বংশের অবসান ঘটান। স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন সিপাহিপাড়ায় প্রতিষ্ঠিত বাবা আদমের মসজিদ বাংলায় প্রথম মসজিদ। মসজিদের পাশেই বাবা আদমের মাজার।

হাজার বছর আগের ভ্রমণ শেষে ফিরে আসি আজকের ঢাকা শহরের বাস্তব জগতে। সত্যি সত্যি বাংলার প্রাচীন রাজধানীতে যেতে চান? ঢাকার স্টেডিয়াম/গুলিস্তান বা পোস্তগোলা থেকে বাসে করে যাবেন মুন্সীগঞ্জের দিকে। সুখবাসপুর বা সুবাসপুরে নেমে পড়বেন। এখানে ঘণ্টা হিসাবে রিকশা নিতেন পারেন। সিপাহিপাড়ার দিকে যেতে পথে পড়বে কিংবদন্তির দিঘি রাজা হরিশ চন্দ্রের দিঘি। এরপর বল্লাল সেনের দিঘি, বাবা আদমের মসজিদ এবং মাজার। এরপর চলে যান বজ্রযোগিনী গ্রামে। অতীশ দীপঙ্করের বাস্তুভিটায়। পুরো এলাকাতেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে সেন রাজবংশ এবং পরে বার ভূঁইয়াদের সময়কালের অনেক স্মৃতিচিহ্ন। খুব সহজেই ঘুরে আসুন প্রাচীন বাংলার গৌরবের নগরের পথে-প্রান্তরে।
হ সাঈদ সৌম্য

ফখরুদ্দীন আহমদকে তলবের চিন্তাভাবনা


পপুলার লাইফের মুন্সীগঞ্জ জেলার বার্ষিক সম্মেলন

popularসম্প্রতি মুন্সীগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুন্সীগঞ্জ জেলার বার্ষিক সম্মেলন ২০০৮ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ওই অনুষ্ঠানে আটজন বীমা গ্রাহকের নমিনিদের কাছে মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর করা হয়

সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুন্সীগঞ্জ জেলার বার্ষিক সম্মেলন ২০০৮ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ওই অনুষ্ঠানে আটজন বীমা গ্রাহকের নমিনিদের কাছে মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম ইদ্রিস আলী। ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনসুর আহমেদ কালাম, কনসালট্যান্ট মো. আনিস উদ্দিন মিয়া। বিজ্ঞপ্তি


পদ্মায় পানি বৃদ্ধিতে মুন্সীগঞ্জে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন

মুন্সীগঞ্জের ভাগ্যকুল পয়েন্ট গত ৪ দিনে পদ্মা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে উপজেলার বাঘরা, ভাগ্যকুল, চারিপাড়া, কামারগাও, মান্ডা ও কবুতরখোলাসহ নদীর তীরর্বতী ৩ কিলোমিটার এলাকায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এছাড়া ঝুকির মধ্যে রয়েছে ভাগ্যকুল পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাঘরা স্বরূপ উচ্চ বিদ্যালয়, হরেন্দ্রলাল উচ্চ বিদ্যালয়, কামারগাও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৪ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯ টি মসজিদসহ বাঘরা ও ভাগ্যকুল বাজারের ৪ শতাধিক দোকানপাট। এদিকে ভাঙ্গনরোধে ২ মাস আগে ৫ লাখ টাকা বরাদ্ধ হলেও সেই কাজ চলছে ঢিমেতালে বলে জানান এলাকাবাসী।


মুন্সীগঞ্জে এক হিন্দু পরিবারের বাড়ি দখল করেছে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা

ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগ দলের সন্ত্রাসীরা একটি হিন্দু পরিবারের সহায়-সম্বল লুট করেই খ্যান্ত হয়নি, তাদের মারধর করে ভিটেমাটি থেকেও তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার কমলা ঘাটে এ ঘটনা ঘটে। ভিটেমাটি হারিয়ে হিন্দু পরিবারটি প্রাণ বাঁচাতে বর্তমানে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। স্খানীয় পুলিশের কোনো সহায়তা না পেয়ে আইনের আশ্রয় নিতে ঢাকায় ছুটে এসেছেন পরিবারের সদস্যরা।
ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবারটি বিচারের দাবিতে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববìধন করে। এ সময় তারা সাংবাদিকদের কাছেও হামলাকারী ও দখলবাজ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নাম প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছিলেন।
হামলার শিকার সুনিল চন্দ্র দে অভিযোগ করেন, স্খানীয় আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি দীর্ঘ দিন ধরে তাদের বাড়ি দখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছিল। তাদের পেছনে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই ব্যক্তি আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এরই জেরে গত ২৯ জুন রাত সাড়ে ৯টায় হঠাৎ তার বাড়িতে হানা দেয় স্খানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থক অমর চাঁন সাহা, তপন পাল, ভাগবত পালসহ ৪০-৫০ জনের একদল সন্ত্রাসী। সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ঘরে ঢুকে তাকে এবং তার বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও সন্তানদের মারধর করে। সন্ত্রাসীরা বাসার আলমিরা ভেঙে স্বর্ণালঙ্কার, টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করে। প্রায় এক ঘন্টা ধরে সন্ত্রাসীরা তাণ্ডব চালালেও প্রতিবেশীদের কেউই ভয়ে এগিয়ে আসার সাহস পাননি। সন্ত্রাসীরা এক পর্যায়ে তাদের মারধর করে রাতের অìধকারে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। থানায় মামলা করলে এবং কারো কাছে আওয়ামী লীগের নাম প্রকাশ করলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেয়। এ অবস্খায় তিনি আইনের আশ্রয় পেতে পরিবার-পরিজন নিয়ে থানায় ছুটে যান। কিন্তু পুলিশ মামলা না নিয়ে উল্টো তাদের থানা থেকে বের করে দেয়। গভীর রাতে তারা এলাকায় এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নেন। পর দিন তিনি পরিবার নিয়ে ঢাকায় পালিয়ে আসেন। বর্তমানে সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হুমকির কারণে তিনি এলাকায় যেতে পারছেন না বলে জানান।

যানজট নিয়ন্ত্রণে ১ কনস্টেবল

ঢাকা নারায়ণগঞ্জ মুন্সীগঞ্জ সড়ক
ট্রাফিক পুলিশের জনবল সংকটের কারণে ঢাকানারায়ণগঞ্জমুন্সীগঞ্জ সড়কে যানজটের সমস্যা দিন-দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে মাত্র ১ জন কনস্টেবল দিয়ে যানজট নিয়ন্ত্রণের কাজ চালানো হচ্ছে। যেখানে প্রয়োজন ট্রাফিক পুলিশের ৪ জন সার্জেন্ট অফিসার ও ২০ জন কনস্টেবল। এদিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটের কবলে পড়ে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যানজটের কারণে কাঁচামালসহ বিভিন্ন মালামাল সঠিক সময়ে গন্থব্যে পৌঁছাতে না পারায় নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের সহস্রাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অন্যদিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা থেকে গোলআলুসহ প্রায় সব ধরনের সবজির ২০০-৩০০ ট্রাক এ রুট দিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় প্রতিদিন সরবরাহ করছে। কিন্তু যানজটের কারণে সঠিক সময়ে এসব ট্রাক হাটবাজারে যেতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ী ও কৃষকরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া থেকে পাগলার মুন্সী খোলা পর্যন্ত রুটের বিভিন্নস্থানে সড়কের ওপর ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন এলোপাতাড়ি করে রাখা হয়েছে। সড়ক দখল করে ফতুল্লা থানাসংলগ্ন সড়কের ওপর সবজির দোকান বসনো হয়েছে। বিশেষ করে পাগলা মুন্সী খোলা এলাকার সড়কে পাইকারি মার্কেটের ইট, বালু, সিমেন্ট ও রডভর্তি ট্রাকের মালামাল লোড-আনলোড করার সময় প্রচ- যানজটের সৃষ্টি
হয়। অপরদিকে মুক্তারপুর ব্রিজ সড়ক থেকে পঞ্চবটি হয়ে পাগলা মুন্সী খোলা পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে সহস্রাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালামাল রাস্তার ওপর রেখে লোড-আনলোড করা হচ্ছেÑ এতে প্রচ-ভাবে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে পাগলা মুন্সী খোলা এবং মুক্তারপুর থেকে পাগলা মুন্সী খোলা পর্যন্ত এই দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে ফতুল্লা থানার পঞ্চবটি এলাকার তিন রাস্তার মোড়ে মাত্র ১ জন ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল যানজট নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করেন। যে কারণে এ সড়কের যানজট কখনোই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে জেলা ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর আনিসুজ্জামান বলেন, জনবল কম থাকায় এ সড়কটিতে যানজট নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ সড়কের জন্য ৪ জন সার্জেন্ট অফিসার ও ২০ জন কনস্টেবল প্রয়োজন।
জেলা পুলিশ সুপার বিশ্বাস আফজাল হোসেন বলেন, নারায়ণগঞ্জ ট্রফিক পুলিশের জনবল কম থাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। তবে এ সমস্যা রোধ করার জন্য ট্রাফিক পুলিশের জনবল বাড়াতে আবেদন করা হয়েছে।